এ জয়ের অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয় : আলফাজ

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৮:০২ পিএম

দেড় যুগ পর দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছে বাংলাদেশ। সেটাও আবার নারী ফুটবলারদের হাত ধরে। ২০০৩ সালে রজনীকান্ত বর্মনের নেতৃত্বে মালদ্বীপকে হারিয়ে লাল সবুজের জার্সিধারীরা প্রথম সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়। নেপালে ১৯ বছর পর সাবিনা খাতুনদের হাত ধরে নতুন ইতিহাস গড়ল দেশের ফুটবল। হিমালয় কন্যাদের ৩-১ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয়ে উল্লাসে ভাসছে পুরো দেশ।

এই জয়ের অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো না বলে মন্তব্য করেছেন ২০০৩ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয়ী দলের সদস্য আলফাজ আহমেদ। দেশ রূপান্তরকে তিনি বলেছেন, ‘মেয়েদের এই জয় সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে। এই জয়টা দেশের ক্রীড়াঙ্গনের বড় একটা অর্জন।’

বেশ কিছুদিন ধরেই জয় খরায় ভুগছে বাংলাদেশ। ক্রিকেট-ফুটবল সব জায়গাতেই হতাশার ছড়াছড়ি। জামাল ভূঁইঞারাও দীর্ঘ দিন ধরে জয়হীন। সম্প্রতি জিম্বাবুয়ে সিরিজ ও এশিয়া কাপে চরম হতাশ করেছেন ক্রিকেটাররা। ক্রীড়াপ্রেমিরা যখন হতাশায় হাবুডুবু খাচ্ছেন, তখনই অন্ধকার ভেদ করে আলোর ঝলক ছিটিয়ে দিলেন সানজিদা আক্তাররা।

কৃষ্ণা সরকারের জোড়া গোলের সঙ্গে শামসুন্নাহারের একটি, তাতে স্বাগতিক নেপালকে ৩-১ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। তারপর থেকেই উল্লাসে ভাসছে পুরো দেশ।

এ বিষয়ে দেশ রূপান্তরকে আলফাজ আহমেদ বলেন, ‘মেয়েদের এই অর্জন দেশের ফুটবলকে আরও গতিশীল করবে বলে আমি মনে করি। পাশাপাশি মেয়েদের ফুটবলের সুযোগ সুবিধাও আগের চেয়ে বাড়বে বলে আশা করি। কারণ তারা আমাদেরকে অনেকদিন পর বড় কোনো শিরোপা এনে দিয়েছে। দেশের ফুটবলে সোনালী অতীত ফিরে আসুক তাদের হাত ধরেই।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত