গণভোটকে পশ্চিমাদের নিন্দা

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০১:৪৮ এএম

দখলকৃত এলাকায় রাশিয়ার আয়োজিত গণভোটের তীব্র সমালোচনা করে পশ্চিমারা এই ভোটকে ‘ভুয়া’ ভোট হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। ধনী দেশগুলোর জোট জি-সেভেন গণভোটের নিন্দা জানিয়ে বলেছে ৫ দিনের ‘ভুয়া’ গণভোট চলছে।

গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন রাশিয়াকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ইউক্রেনের আরও অঞ্চলকে রাশিয়ার অন্তর্ভুক্ত করতে মস্কো ‘ধোঁকাবাজি’ গণভোট করলে ‘দ্রুত ও কঠোর’ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে পশ্চিমাদের এসব নিন্দা-হুঁশিয়ারি পাশ কাটিয়ে গণভোট অব্যাহত আছে। রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার প্রশ্নে রুশ সেনা ও মস্কোপন্থি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা ইউক্রেনের লুহানস্ক, দোনেৎস্ক, খেরসন ও জাপোরিজিয়া অঞ্চলে রুশ সেনারা বাড়িতে বাড়িতে গিয়েও ভোট সংগ্রহ করছে বলে প্রতিবেদনে জানিয়েছে বিবিসি।

শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল থেকে শুরু হওয়া এ ভোট আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত চলবে। গণভোটের রায় পক্ষে এলে রাশিয়া ইউক্রেনের প্রায় ১৫ শতাংশ অংশকে নিজেদের ভূখণ্ড হিসেবে দাবি করার সুযোগ পাবে।

পশ্চিমা দেশগুলো বলছে, এ পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের ভয়াবহ লঙ্ঘন, যা যুদ্ধের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দেবে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, প্রায় ৭ মাসের যুদ্ধ শেষে এবং চলতি মাসের শুরুর দিকে উত্তর-পূর্ব ইউক্রেনে গুরুত্বপূর্ণ একটি যুদ্ধক্ষেত্রে পরাজয়ের পর রুশপন্থিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা অঞ্চলগুলোর কর্র্তৃপক্ষ গণভোট করতে চাইলে রুশ প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন তাতে জোর সমর্থন জানান।

এই অঞ্চলগুলোর মধ্যে দোনেৎস্ক পিপলস রিপাবলিক (ডিপিআর) ও লুহানস্ক পিপলস রিপাবলিককে (এলপিআর) পুতিন ইউক্রেনে অভিযানের আগেই স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন। এই দুই অঞ্চলকে একসঙ্গে দনবাস বলা হয়।

ডিপিআর, এলপিআরের সঙ্গে পুরোপুরি রুশ দখলে না থাকা খেরসন এবং জাপোরিজিয়ায়ও শুক্রবার থেকে ৫ দিনের এ গণভোট শুরু হয়। এর আগে ২০১৪ সালে ইউক্রেনের কাছ থেকে ক্রিমিয়া দখল করে গণভোটের আয়োজন করেছিল রাশিয়া। সেই ভোটের ফল পক্ষে আসায় ক্রিমিয়াকে রুশ ফেডারেশনের অংশ হিসেবে দাবি করার ভিত্তি পায় ক্রেমলিন। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত