মালিক অডিটরসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত

আপডেট : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০২:০১ এএম

আইপিও অনুমোদন পেতে ব্যাংক ঋণের মিথ্যা প্রদান, আইপিও অর্থসংশ্লিষ্ট প্রকল্পে খরচ না করে সহযোগী কোম্পানির মাধ্যমে আত্মসাৎ করার দায়ে তালিকাভুক্ত নুরানী ডাইং অ্যান্ড সোয়েটার কোম্পানি, এর উদ্যোক্তা ও পরিচালক, ইস্যু ম্যানেজার এবং অডিটরদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি। গতকাল বুধবার অনুষ্ঠিত কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসইসি জানিয়েছে, ২০১৭ সালে আইপিওতে আসা নুরানী ডাইং আইপিও প্রসপেক্টাসে ২০১৬ ও ’১৭ সালে এবি ব্যাংকে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ স্থিতি ছিল যথাক্রমে ৫৭ কোটি ২০ লাখ এবং ৪২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। কিন্তু ডিএসইর অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০১৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ব্যাংকটিতে ঋণ স্থিতি ছিল যথাক্রমে ১৬৯ কোটি, ১৯২ কোটি এবং ২১৬ কোটি টাকা। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনায় জড়িত তিনটি ইস্যু ম্যানেজার প্রতিষ্ঠানও প্রসপেক্টাস ও এ সংক্রান্ত তথ্যের সত্যতা এবং নিশ্চয়তা প্রদান করে ডিউ ডিলিজেন্স সার্টিফিকেট প্রদান করে।

তা ছাড়া ২০১৭ সালে আইপিও প্রক্রিয়ায় সংগ্রহ করা ৪৩ কোটি টাকা কারসাজির মাধ্যমে উদ্যোক্তারা নিজের সহযোগী কোম্পানিগুলোতে ৪১ কোটি ১৪ লাখ টাকা হস্তান্তর করে আত্মসাৎ করেছে বলেও তদন্তে তথ্য মিলেছে। তদন্তে আরও দেখা যায়, ২০১৯ ও ২০২০ সালে কোম্পানিটি জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে বিভিন্ন নথি বানিয়ে রপ্তানি আয় এবং বিভিন্ন ব্যয়ের তথ্য দিয়ে আর্থিক প্রতিবেদন তৈরি করে।

এর বাইরে উদ্যোক্তা-পরিচালকরা শেয়ার ব্যবসা করতে নুরানী ডাইংয়ের ধারণ করা প্রায় ৩১ শতাংশ শেয়ার যমুনা ব্যাংক ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট নামক মার্চেন্ট ব্যাংকে জামানত রেখে মার্জিন ঋণ নেন। কমিশনের ভাষ্য, এখানেও অর্থ তছরুপ করেছেন তারা। এসব অপরাধ গুরুতর ফৌজদারি মামলা করবে এসইসি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত