শুক্রবার এলেই কি বলিউড তারকাদের মনে একরাশ চিন্তা জড়ো হয়? শুক্রবার বক্স অফিসের ওঠানামায় তেমন হওয়াটাই স্বাভাবিক। এক মুহূর্তে কমে যেতে পারে তারকার দর। নতুন উচ্চতায় উঠতে যেতে পারে কোনো এক আনকোরা মুখ। তবে হৃত্বিক রোশনের দাবি, অভিনেতা হিসাবে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগলেও ভুগতে পারেন, কিন্তু মানুষ হিসাবে তার ক্ষেত্রে সে কথা খাটে না।
বক্স অফিসে মুনাফার অঙ্ক তো অনেক সময়ই প্রত্যাশার সঙ্গে মেলে না। তা সত্ত্বেও নিজের প্রতি আস্থা রাখার জোর কোথা থেকে পান হৃত্বিক? বলিউডের 'গ্রিক দেবতা' অবশ্য বরাবর নিজের প্রতি এতটা আস্থাবান ছিলেন না। একটি সংবাদমাধ্যমে তিনি জানিয়েছেন, সঞ্জয় গুপ্তের ছবি 'কাবিল' করার আগে নিজের ত্রুটিগুলো নিজের কাছেই লুকিয়ে রাখতেন। তিনি বলেন, 'কাবিল' করার আগে নিজের অনেক কিছু নিজের কাছেই লুকিয়ে রেখেছিলাম। কারণ, মানুষ হিসেবে আমার যে সমস্ত ত্রুটি এবং ব্যর্থতা দেখতে পেয়েছিলাম, তা নিয়ে ভীত ছিলাম।'
এই নিরাপত্তাহীনতার কারণ কী? ছোটবেলায় নিজের অনুভূতিগুলো চেপে রাখার খেসারত যে তাকে দিতে হয়েছে, সে কথাও বলেছেন হৃত্বিক। তার কথায়, 'কাবিল' করার পর নিজেকে যেন খুঁজে পেয়েছিলাম। আসলে এই অভ্যাসগুলো তো ছোটবেলা থেকে আমাদের মধ্যে গড়ে ওঠে। নিজের অনুভূতিগুলো ঠিকঠাক প্রকাশ করতে না পারলে নিজেদের অন্য ভাবে জাহির করতে হতো। কারণ, সেটাই বেশি গ্রহণযোগ্য... ।'
বলিউডে প্রতি শুক্রবারে তারকার ভাগ্যবদলের ঝুঁকি থাকলেও অভিনেতা হিসাবে নিজেকে বার বার ভেঙেছেন হৃত্বিক। তথাকথিত তারকাসুলভ ভাবমূর্তিকে ছাপিয়ে করেছেন 'সুপার ৩০' বা হালফিলে 'বিক্রম বেধা'-র মতো ছবি। হৃতিক জানিয়েছেন, বক্স অফিসে আশুতোষ গোয়ারিকরের ছবি 'মহেঞ্জোদারো' ব্যর্থ হওয়ার পর তার অভিনয়ের ত্রুটিগুলো খুঁজে বার করতে একজন অ্যাক্টিং কোচের সাহায্য নিয়েছিলেন। সেই কোচের কাজই ছিল, হৃত্বিকের সমস্ত ছবি দেখে তার ভুলগুলো খুঁজে বের করা। হৃতিকের কথায়, 'ক্যামেরার সামনে কিভাবে দাঁড়াতে হয়, তা আমি জানি। তবে আমি এক ধাঁচেরই কাজ করছিলাম এবং নিজের কাজে তার ছাপ দেখতে পেতাম।' সূত্র : বলিউড হাঙ্গামা
