ঐশ্বরিয়ার কথা আলাদা করে বলতেই হয়, প্রায় চার বছর পর আবার পর্দায় দেখা দিলেন বচ্চন-বধূ। মণিরত্নমের পরিচালনায় অভিনয় করলেন এক যুগ পর। শুক্রবার মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি। প্রত্যাশিতভাবে মুক্তির প্রথম দিন থেকেই বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে ‘পন্নিয়েন সেলভান’। বক্স অফিস বিশ্লেষকদের তথ্য অনুসারে, মুক্তির দুদিনের মধ্যে বিশ্বজুড়ে ১৫০ কোটি রুপির ব্যবসা করেছে এই সিনেমা। প্রথম দিন বিশ্বব্যাপী ৮০ কোটি রুপি ব্যবসা করেছে। যার মধ্যে প্রথম দিনে সবচেয়ে বেশি আয় করা তামিল সিনেমার রেকর্ড তৈরি করেছে ‘পন্নিয়েন সেলভান’। ভারতে এই সিনেমার আয় ৪০ কোটি রুপির কাছাকাছি ছিল। সিনেমার টিকিট প্রি বুকিংই হয়েছিল ১৭ কোটির, তা-ও শুধু ভারতে।
‘তামিল লেখক কল্কি কৃষ্ণমূর্তির ঐতিহাসিক উপন্যাস অবলম্বনে সিনেমাটি তৈরি করেছেন মণিরতœম। এই উপন্যাসের কাহিনী চোল বংশের অরুলমোজি বর্মণের সময়কার। এ সময়টা একেবারে নিখুঁতভাবে তুলে এনেছেন পরিচালক। প্রতিটি ফ্রেমই যেন ইতিহাসের পাতা থেকে উঠে এসেছে। সিনেমাটির সবচেয়ে শক্তিশালী দিকই হলো পরিচালনা। মণিরতœমই “পন্নিয়েন সেলভান”-এর আসল জাদুকর। ফের তিনি প্রমাণ করলেন, সিনেমার পর্দায় কীভাবে গল্প বলতে হয়। এমনিতেই পিরিয়াড সিনেমা, তা যদি আবার হয় ইতিহাসনির্ভর, তা ক্যামেরায় তুলে আনা বেশ কঠিন। এই সিনেমা এ ক্ষেত্রে একেবারেই ত্রুটিমুক্ত।’ টানা দেড়শ দিনে পন্নিয়েন সেলভান সিনেমার দুই পার্টের শ্যুটিং হয়েছে। এর আগে ভারতের আলোচিত দুই পার্টের সিনেমাগুলো যেমন ‘বাহুবলী’, ‘কেজিএফ’, ‘পুষ্পা’, ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ বিরতি নিয়ে শ্যুটিং হয়েছে। প্রথম পর্বের মুক্তির পর দ্বিতীয় পর্বের শ্যুটিং হয়েছে প্রায় সব সিনেমার। এতে চিয়ান বিক্রম-কার্থি-তৃষা-জয়ম রবি অভিনয় করেছেন। সংগীত পরিচালনায় ছিলেন এ আর রাহমান। চিত্রগ্রাহক রবি বর্মণ আর সম্পাদনা করেছেন এস শ্রীকর প্রসাদ।
