মোংলার চাঁদপাই ইউনিয়নের এক শিশু (১৩) ধর্ষণের শিকার হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার এ ঘটনার পর মুসা খান (২০) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার তাকে বাগেরহাট আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মুসা খান শিশুটিকে তুলে নিয়ে পাশের একটি চিংড়ি ঘেরে ধর্ষণ করে। এসময় শিশুটির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে গেলে মুসা খান পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে তার বাবা-মা শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। মুসা খান ওই এলাকার সাইফুল মুহুরির ছেলে মিঠু খানের শ্যালক। সে তিন দিন আগে বেড়াতে এসেছিল।
শিশুটির বাবা অভিযোগ করে বলেন, আমরা থানায় গেলে পথিমধ্যে তিন জায়গায় আমাদের বাধার সৃষ্টি করেন সাইফুল মুহুরি ও তার ড্রাইভার বাবু শেখ। তারা পথে আটকে বিষয়টির মীমাংসার কথা বলেন। কিন্তু আমি মীমাংসায় রাজি হইনি।
এ বিষয়ে সাইফুল খান বলেন, ‘বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা চলছে। বিয়ে দিয়ে দেওয়ার জন্য মেয়ের পরিবারের সঙ্গে কথা চলছে।’ শিশুর সঙ্গে বিয়ে দেওয়া সুযোগ আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি আরও বলেন, ‘দেখি চেষ্টা করে কী করা যায়।’
মোংলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘ধর্ষণের ঘটনায় রাতে থানায় মামলা দায়েরের পরই আসামিকে বাগেরহাটের শরণখোলার রায়েন্দা ফেরিঘাট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শুক্রবার সকালে তাকে বাগেরহাট আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।’
