রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরাতে বাংলাদেশ ফার্নিচার শিল্প মালিক সমিতি আয়োজিত ১৭তম জাতীয় ফার্নিচার মেলায় প্রতিটি আসবাবের ওপর ২৫ শতাংশ ছাড় দিয়েছে মেলায় অংশগ্রহণকারী অন্যতম প্রতিষ্ঠান ‘বহু বাংলাদেশ লিমিটেড’।
মেলায় তারা নিয়ে এসেছে মডার্ন বুক কেস, ডিনার ওয়াগন, মডার্ন কেবিনেট, টল গ্লাস কেস, ডাইনিং টেবিল, মডার্ন ড্রেসার, নেমসেক বেডসাইড টেবিল, আরামদায়ক সোফা, সু বক্স, রাউন্ড চেয়ার, টাইনি সোফা, রকিং হর্স থেকে শুরু করে অন্যান্য পণ্য।
আজ ১০ অক্টোবর মেলার শেষ দিন। প্রতিদিনই মেলায় আসবাবপ্রেমীরা এসেছেন নতুন নতুন ডিজাইনের সব আসবাবের খোঁজে।
বহু’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক আর্কিটেক্ট নাবিলা নওরিন জানিয়েছেন, নিজেদের তৈরি বিভিন্ন ধরনের বর্ণিল ও বৈচিত্র্যময় আসবাবপত্রকে ক্রেতার সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে পরিচয় করিয়ে দিতেই তারা আসবাবের ওপর বড় ছাড় দিয়েছে। মনকাড়া ডিজাইন, রঙে ও নির্মাণে ‘বহু বাংলাদেশ লিমিটেড’-এর আসবাবগুলো একটু আলাদা তা বলতেই হবে। প্রতিটি আসবাবই বানানো হয়েছে ক্রেতার মনোজগৎকে আরও আনন্দময় করার দৃঢ় প্রত্যয়ে। ‘বহু বাংলাদেশ লিমিটেড’-এর কনসেপ্ট হলো-‘বহু রঙ্গে রঙিন হোক জীবন’। একটি আসবাব যেন ক্রেতার মনকে প্রফুল্ল রাখে, আসবাব যেন ক্রেতার হৃদয়কে আনন্দময় করে।
বাংলাদেশ ফার্নিচার শিল্প মালিক সমিতি আয়োজিত ১৭তম জাতীয় ফার্নিচার মেলার আয়োজন নিয়ে নাবিলা নওরিন খুবই খুশি। তাঁর মতে এই আয়োজন যেমন অ্যাপ্রিশিয়েট করার মতো তেমনি এটি ব্যাপক উৎসাহব্যাঞ্জকও। এ ধরনের আয়োজন বিভিন্ন দেশে ফার্নিচার রপ্তানির জন্য আরও বড় সুযোগ তৈরি হবে বলেও তিনি মনে করেন।
নাবিলা নওরিন জানান, এশিয়ার মধ্যে ফার্নিচার রপ্তানিতে ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম অনেক বেশি এগিয়ে। বাংলাদেশকেও তাই এগিয়ে যেতে হবে। এতে করে দেশের কাঠশিল্প আরও এগিয়ে যাবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। একই সঙ্গে তিনি এই শিল্পের প্রসারে সরকারের প্রণোদনা প্রদানের পদক্ষেপ ও সার্বিক ইতিবাচক মনোভাবকে প্রশংসা করেন।
এবারের মেলাতে আক্তার ফার্নিচার্স লিমিটেড, নাভানা ফার্নিচার লিমিটেড, পারটেক্স ফার্নিচার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, বহু বাংলাদেশ লিমিটেডসহ মোট আঠারোটি আসবাব তৈরির প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করেছে।
