জনপ্রিয় চিত্রনায়ক নিরব হোসেন নতুন ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। নাম ‘জয় বাংলার ধ্বনি’। তার বিপরীতে আছেন সুনেরাহ বিনতে কামাল। এই ছবি ও সমসাময়িক বিষয়ে তার সঙ্গে কথা বলেছেন মাসিদ রণ
জয় বাংলার ধ্বনি...
‘জয় বাংলার ধ্বনি’ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি চলচ্চিত্র। এই ছবির গল্প আমাদের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যত ছবি হয়েছে তার থেকে একেবারেই আলাদা। এ বিষয়টিই আমাকে সবচেয়ে আকৃষ্ট করেছে। সবচেয়ে মজা লেগেছে আমার চরিত্রটি। কারণ এই ছবিতে ১৯২২-২৩ এবং ১৯৭১-এর দুটি গল্প দেখানো হবে। আর এই দুই সময়ের দুটি চরিত্রে আমি অভিনয় করব। এ জন্য আমাকে দুই রকমের লুক ও গেটআপ নিতে হবে। ছবিটির বিশেষত্ব হলো এর বিষয়বস্তু। ‘জয় বাংলা’ এখন আমাদের জাতীয় স্লোগান। কিন্তু ‘জয় বাংলা’ কথাটা কোথা থেকে কীভাবে এসেছে, সে বিষয়টি এখানে পরিষ্কার করা হবে। পরিচালনা করবেন খ ম খুরশীদ। ছবির গল্প ও কাহিনী শাজাহান খান এমপির। এ মাসের ২০-২৫ তারিখ পর্যন্ত প্রথম লটের শ্যুটিং হবে। আগামী মাসেও শ্যুটিং করব।
অনুদানের ছবি...
‘জয় বাংলার ধ্বনি’ সরকারি অনুদানের ছবি। এর আগেও আমি চারটি সরকারি অনুদানের ছবিতে যুক্ত হয়েছি। যার তিনটির কাজ শেষ করেছি, একটি শিডিউলের কারণে ছেড়ে দিতে হয়েছে। বুঝতেই পারছেন, অনুদানের ছবির ব্যাপারে আমি কতটা আগ্রহী। কারণ, এখন সারা বিশে^ই গল্পপ্রধান ছবির জয়জয়কার। আর অনুদান কমিটি যখন একটি ছবিকে অনুদান দেয়, তাতে অবশ্যই একটি ভিন্ন ও শক্তিশালী গল্প থাকে। তা ছাড়া একটি ভালো ছবি নির্মাণের জন্য যে পরিমাণ বাজেট লাগে তা সব সময় সব প্রযোজক ব্যবস্থা করতে পারেন না। অনুদান প্রযোজকদের কাজ অনেকটাই সহজ করে দেয়।
সুনেরাহর সঙ্গে প্রথম...
সুনেরাহর সঙ্গে এই প্রথম কাজ করতে যাচ্ছি। সে মডেলিং থেকে সরাসরি সিনেমায় এসেছে এবং প্রথম সিনেমা ‘ন ডরাই’ দিয়েই শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর জাতীয় পুরস্কার পেয়েছে। ভালো অভিনেত্রী না হলে সেটি সম্ভব না। তার অভিনয় আমিও দেখেছি। সব মিলিয়ে যখন প্রযোজক ও পরিচালক তার বিপরীতে আমাকে প্রস্তাব দিয়েছেন, তখন আমি খুশি মনে কাজটি করতে চেয়েছি। আশা করছি, আমাদের কাজ দর্শকের পছন্দ হবে।
অন্য ছবি...
গতকাল শবনম বুবলীর সঙ্গে সৈকত নাসির পরিচালিত ‘ক্যাসিনো’ ছবিটির ডাবিং করেছি। আর সর্বশেষ শ্যুটিং করেছি ‘কয়লা’ ছবিটির। এ ছাড়া মুক্তির অপেক্ষায় আছে সরকারি অনুদানের ছবি ‘ছায়াবৃক্ষ’।
ফিটনেস...
ছয় মাস আমি সময় দিয়েছি ‘মার্কস ডেজার্ট কুইন’ নামের একটি রান্নাবিষয়ক রিয়েলিটি শোতে। এটি আমার জন্য লাইফটাইম অভিজ্ঞতা। কারণ এই ছয় মাসে আমি দেশের ৬৪টি জেলাই ঘুরেছি। আমাদের দেশের খুব কম মানুষই আছেন, যারা পুরো দেশটাকে ঘুরে দেখেছেন। আমার সেই সৌভাগ্য হয়েছে। শুধু তা-ই নয়, বিভিন্ন অঞ্চলের নানা ঐতিহ্যবাহী ডেজার্ট আইটেম খেয়েছি। একই সঙ্গে ডেজার্ট খাওয়া আর ফিটনেস ধরে রাখা ভীষণ দুরূহ কাজ। তাই আমি খুব অল্প পরিমাণ চেখে দেখতাম। এ ছাড়া ভাত খাওয়াটা একেবারেই বন্ধ করে দিয়েছি। ৪০-৪৫ দিন আমি ভাত খাই না। ওটস, সেদ্ধ ভেজিটেবল, ফলসহ নানা ধরনের খাবার খাই পরিমাণ বুঝে।
