খেলা ততক্ষণে ষোল ওভার শেষের দিকে। মুজারাবানির পঞ্চম বলেই সিকান্দার রাজার হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে গেলেন মার্ক অ্যাডায়ার। আয়ারল্যান্ডের স্কোরবোর্ডে তখন ৯ উইকেট হারিয়ে ১১১ রান। স্টার্লিংরা হয়তো শেষটা সেখানেই দেখে ফেলেছিলেন। কিন্তু লড়াই যাদের রন্ধ্রে, তারা কি আর এত সহজে হারটা মেনে নেয়।
ব্যারি ম্যাকার্থি ও জোশ লিটল লড়াই করে খেলা নিয়ে গেলেন শেষ ওভারে। তাতে অবশ্য হারের ব্যবধানটাই কমাতে পেরেছেন তারা। বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচ জিম্বাবুয়ের কাছে ৩১ রানে হেরে গেছে আয়ারল্যান্ড।
টস জিতে এদিন জিম্বাবুয়েকে আগে ব্যাট করতে পাঠায় আইরিশরা। শুরুতে হোঁচট খেলেও সেটা উৎরে যায় তারা সিকান্দার রাজার ব্যাটে। তিনি একাই এগিয়ে নেন দলকে। তার ব্যাটে ভর করে জিম্বাবুয়ে পায় ১৭৪ রানের বড় সংগ্রহ। তিনি খেলেন ৮২ রানের বিধ্বংসী এক ম্যাচসেরা ইনিংস। ৪৮ বল স্থায়ী সে ইনিংসটি সাজানো ছিল ৫ টি চার ও ৫ টি ছক্কায়। দলের হয়ে ওয়েসলি মেধেভের ২২ ও লুক জঙ্গুয়ে ২০ রান করেন।
আরিশদের হয়ে জোশ লিটল ২৪ রান দিয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট শিকার করেছেন। এছাড়া মার্ক অ্যাডায়ার ও সিমি সিং শিকার করেন দুটি করে উইকেট।
১৭৫ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে আইরিশরা। চার ওভারে মাত্র ২২ রানেই তারা হারিয়ে বসে চার টপ অর্ডারকে। লোরকান টাকার ছাড়া কোনো টপ অর্ডারই পাননি দুই অংকের রানের দেখা। তবে মিডল অর্ডারে কার্টিস ক্যাম্পার ২৭, জর্জ ডকরেল ও গ্যারেথ ডেলেনি ২৪ করে রান করলে কিছুটা ম্যাচে ফেরার আভাস মিলছিল। তবে তাদের বিদায়ে সেই স্বপ্নও মিলিয়ে যায়। শেষ দিকে ব্যারি ম্যাকার্থি ২২ ও জোশ লিটলের ৭ রানের অপরাজিত থাকাতে শুধু হারের ব্যবধানই কমেছে।
জিম্বাবুয়ের হয়ে ব্লেজিং মুজারাবানি ২৩ রান দিয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট শিকার করেছেন। রিচার্ড গারাভা ও টেন্ডাই চাতারা দুটি করে উইকেট শিকার করেছেন।
