ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ২৮তম ইউএস ট্রেড শো। আগামীকাল বৃহস্পতিবার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ট্রেড শো উদ্বোধন করবেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস। এতে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কোম্পানিগুলো অংশগ্রহণ করবে। সেখানে থাকবে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা, উচ্চশিক্ষার সুযোগ, বাংলাদেশে বেসরকারি খাতের উন্নয়নে ইউএসএইডের কর্মকাণ্ড ও মেধাস্বত্ব বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস আয়োজিত সেমিনার। এ প্রদর্শনী চলবে শনিবার পর্যন্ত। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস থেকে পাঠানো বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
দূতাবাস জানায়, আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স (অ্যামচেম) বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে আয়োজিত এই প্রদর্শনীতে বাংলাদেশে প্রাপ্য উচ্চমান সম্পন্ন, যুক্তরাষ্ট্রের সর্বাধুনিক পণ্য ও সেবাগুলো তুলে ধরা হবে। জ¦ালানি, ব্যাংকিং ও আর্থিক সেবা, খাদ্য-পানীয়সহ বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের ৪০টির বেশি ব্র্যান্ড এতে অংশগ্রহণ করবে।
কভিড-১৯ মহামারী শুরুর পর এবারই প্রথম দর্শনার্থীরা সশরীরে প্রদর্শনীতে অংশ নিতে পারবেন। এ ছাড়া এবারের আয়োজনটি হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে। বাংলাদেশি পণ্য সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয় যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে, ২০২১ সালে যার মোট পরিমাণ ছিল ১০ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার।
ট্রেড শো চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস চারটি তথ্যমূলক সেমিনার আয়োজন করবে। শোর প্রথম দিন বেলা ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে ইউএসএইড : অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা ও বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ। পরদিন শুক্রবার বেলা ৩টায় রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস ঢাকার কনস্যুলার অফিস ও এডুকেশনইউএসএ পরামর্শকেন্দ্রের কর্মকর্তাদের যৌথ উপস্থাপনা। এতে তারা বাংলাদেশে এডুকেশনইউএসএর মাধ্যমে দেওয়া বিনা মূল্যে পরামর্শ সেবা এবং যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনার জন্য শিক্ষার্থী ভিসা আবেদনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে আলোকপাত করবেন।
দ্বিতীয় দিন বিকেল সাড়ে ৪টায় দূতাবাসের কনস্যুলার কর্মকর্তারা ব্যবসা, বিনিয়োগ, চাকরির ভিসাসহ বিভিন্ন ধরনের যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা আবেদনের প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করবেন। শেষ দিন শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় দূতাবাসের কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্যের ওপর মেধাস্বত্বের প্রভাববিষয়ক একটি প্যানেল আলোচনা হবে। ইউএস ট্রেড শোতে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস ঢাকার অংশগ্রহণ বাংলাদেশের অব্যাহত প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন, অর্থনৈতিক বৈচিত্র্যকরণ ও সহনশীলতা এবং সবার জন্য যৌথ সমৃদ্ধি অর্জনের মূলনীতির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ একটি অর্থনৈতিক উন্নয়ন কৌশলের সমর্থনে বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারিত্বে কাজ করতে যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গীকারকে প্রকাশ করে।
