বিরাট কোহলির হাতে সহজ ক্যাচ ফসকায়, রোহিত শর্মা মিস করেন রান আউটের সহজ সুযোগ। মাঠে এসব যখন হয়, তখন জয় আর ভারতের ভাগ্যে ধরা দেয় না। কালও পার্থে পারল না ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে গেল ৫ উইকেটে। টানা দুই জয়ে ৫ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে প্রোটিয়ারা, প্রথম হারের দেখা পাওয়া ভারত ৪ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে।
বাংলাদেশের বিপক্ষে লুঙ্গি এনগিদিকে একাদশে রাখেনি দক্ষিণ আফ্রিকা, পার্থের গতিশীল উইকেটে তারা ঠিকই দলে নেয় এই পেসারকে। জায়গা ফিরে পেয়েই লুঙ্গির দাপটে গুঁড়িয়ে যায় ভারতের টপ অর্ডার। একে একে তুলে নেন রোহিত (১২), লোকেশ রাহুল (৯) ও বিরাট কোহলির (১২) উইকেট। তালিকায় পরে যোগ হয় হার্দিক পান্ডিয়ার (২) নামটাও। ৪ ওভারে ২৩ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন লুঙ্গি, ১৫ রানে ৩ উইকেট ওয়েইন পারনেলের। স্রোতের বিরুদ্ধে লড়াই করে ৪০ বলে ৬৮ রান সূর্যকুমার যাদবের, বাকিদের ভেতর দুজন পৌঁছেছেন দুই অঙ্কের রানে আর অন্যরা এক অঙ্কের বেশি এগোতে পারেননি। ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৩৩ রানের সংগ্রহ ভারতের।
জবাবে শুরুটা ভালো ছিল না দক্ষিণ আফ্রিকারও। দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই নেই কুইন্টন ডি কক, এক বল পর শূন্য রানে বিদায় আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান রাইলি রুশোর। দুটো উইকেটই আর্শদ্বীপ সিংয়ের। বাভুমা আসরের সেরা ইনিংস খেলেছেন, পরপর দুটো ম্যাচে ২ রান করার পর কাল করেছেন ১০ রান এবং একখানা ছয়ও মেরেছেন! তবে বেশিক্ষণ টেকেননি। প্রোটিয়ারা ঘুরে দাঁড়ায় এইডেন মার্করাম আর ডেভিড মিলারের জুটিতে। ৬০ বলে ৭৬ রান যোগ করেন দুজনে মিলে। মার্করাম ৪১ বলে ৬ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায় ৫২ রান করে আউট হন। অথচ কোহলি মিড উইকেটে হাতে আসা ক্যাচটা ফেলে না দিলে ৩৫ রানেই শেষ হতো মার্করামের ইনিংস।
ডেভিড মিলারকে অবশ্য থামানো যায়নি। এবারের আইপিএলে গুজরাট টাইটানসের হয়ে অসম্ভব সব ম্যাচ জিতিয়েছেন রান তাড়ায়। ১৩৪ রান তো সেখানে মামুলি। ৪৬ বলে অপরাজিত ৫৯ রানের ইনিংস খেলে মিলার জিতিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকাকে, তুলেছেন পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে। তবে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা লুঙ্গিই।
