স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশে এডিস মশা ছিল না। ফ্লাইটে করে হয়তো এই মশা আমাদের দেশে আসতে পারে। গতকাল রবিবার সচিবালয়ে এক বৈঠকে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের এখানে তো এডিশ মশা ছিল না, ডেঙ্গু রোগ ছিল না। এটা তো বাইরে থেকে আসছে। ফ্লাইটে করে প্যাসেঞ্জার আসছিল অথবা দুটি মশা আসছে। এগুলো কোনো না কোনো বাহিত (ডেঙ্গু) ছিল, তারা আরও মশা প্রজনন করেছে।’
গতকাল স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সারা দেশে মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধবিষয়ক এ বছরের পঞ্চম আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা হয়। এতে মন্ত্রী বলেন, মশাবাহিত রোগ মোকাবিলায় সরকারের সঙ্গে জনগণের অংশগ্রহণে সফলতা ত্বরান্বিত হতে পারে। পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি বলেও মত দেন তিনি।
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, সাধারণ জনগণকে ডেঙ্গু মোকাবিলায় সম্পৃক্ত করতে হবে। সব স্তরের মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য দায়িত্বশীল সবার যথাযথ ভূমিকা পালন করতে হবে। এশিয়ার সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন ও ভারতসহ অন্যান্য দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতির সর্বশেষ তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এসব দেশের তুলনায় বাংলাদেশে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কম।
তিনি আরও বলেন, এই বছর আগের তুলনায় আবহাওয়ার ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে। এখন থেমে থেমে বৃষ্টি হওয়ার ফলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি হচ্ছে। অন্য বছরে এ সময়ে ডেঙ্গু তুলনামূলক এত বেশি থাকে না। জলবায়ু পরিবর্তনের জন্যই ডেঙ্গুর পরিস্থিতি এ সময় আগের তুলনার বেশি।
সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিনসহ স্থানীয় সরকার বিভাগ, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
