রংপুর ও ঢাকা মেট্রোর জয়

আপডেট : ০৩ নভেম্বর ২০২২, ০১:৫৪ এএম

দু’দলই দুইশোর লক্ষ্য নিয়ে জয়ের পথে ছুটছিল। তৃতীয় দিনে অনায়াসে লক্ষ্যে পৌঁছল তারা। ১৮৫ রানে ৭ উইকেট পড়ার পর অধিনায়ক আকবর আলি হার না মানা ৪০ রানে ঢাকা বিভাগের বিপক্ষে ২১১ রানের লক্ষ্যে নিয়ে যান। আর খুলনার বিপক্ষে ২০০ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ঢাকা মেট্রো এক পর্যায়ে ১০০/৬ এ পরিণত হয়েছিল। সপ্তম উইকেটে শামসুর রহমান ও শরিফুল্লাহর অবিচ্ছিন্ন ১০২ রানের জুটিতে ৪ উইকেটের জয় তুলে নেয়। টায়ার ২ এ খুলনা এ নিয়ে তিন ম্যাচ হারল। তাদের হারিয়ে দুই জয়ে ১৬ পয়েন্ট মেট্রোর। টায়ার ১ এ প্রথম ম্যাচে হারা রংপুর ভালোভাবে শিরোপা লড়াইয়ে ফিরেছে; ২ জয় ও ১ ড্রতে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে  উঠেছে তারা।

বগুড়ায় রংপুরের ম্যাচেই কিছুটা রোমাঞ্চ ছড়িয়েছে। ৯৮/৩ নিয়ে সকালে খেলতে নামার সময় সোহরাওয়ার্দী শুভ অপরাজিত ছিলেন ৪৮ রানে। শেষ পর্যন্ত ১৪৮ বলে ৭২ রান করেন এই বাঁহাতি। নাসির হোসেন (২৬) ও নাঈম ইসলামের (২) মতো অভিজ্ঞরা ফিরলে রংপুর পরিণত হয় ১৪৬/৬ এ। সপ্তম উইকেটে ১২ রান করা আরিফুল হককে নিয়ে ৩৯ রানের জুটি গড়েন। আরিফুল দলীয় ১৮৫-তে ফিরলে শঙ্কায় পড়ে রংপুর। ঘরোয়া ক্রিকেটে এমন কঠিন সময়ে কতবারই তো দল ভেঙে পড়ে। তবে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারতের সঙ্গে একপ্রান্ত আগলে শিরোপা এনে দেওয়া আকবর আলি শেষ পর্যন্ত জয় এনে দেন।

বিকেএসপিতে প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট শিকারি শেখ মাহেদী হাসানের ঘূর্ণিতে ৪৮/২ নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করা ঢাকা মেট্রো ১০০/৬-এ পরিণত হয়। এর ৫ উইকেটই নেন মাহেদী। তবে শামসুর রহমান (৬৫) স্পিনিং অলরাউন্ডার শরিফুল্লাহকে (৫৫) নিয়ে ম্যাচ জয় নিশ্চিত করেন।

বাকি দুই ম্যাচে সিলেটে স্বাগতিক সিলেটের বিপক্ষে ইনিংস হার এড়াতে লড়ছে চট্টগ্রাম। প্রথম ইনিংসে সিলেটের ৯ উইকেটে ডিক্লেয়ার করা ৪৮১ রানের পিছু ছুটে প্রথম ইনিংসে ২৩৭ রানে অলআউট হয় চট্টগ্রাম। চলমান লিগে আগেই দুবার ইনিংসে ৫ উইকেট পাওয়া বাঁহাতি স্পিনার নাবিল সামাদ আবারও ৫ উইকেট নেন। এছাড়া আবু জায়েদ রাহি নেন ৪ উইকেট। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে নেমে বিনা উইকেটে ৮৮ রান করে দিন শেষ করে চট্টগ্রাম। পিনাক ঘোষ ৫৭ ও জসীমুদ্দিন ২৫ রানে অপরাজিত।

খুলনাতেও ইনিংস হার এড়ানোর লড়াই। রাজশাহীর বিপক্ষে ফলোঅনে পড়ে দ্বিতীয় ইনিংসে তৃতীয় দিন শেষে ১৭৮ রানে পিছিয়ে বরিশাল। ১ উইকেটে ৫৭ রান করেছে তারা। প্রথম ইনিংসে ২৭৩ রান করে তারা। সোহাগ গাজী ৭২ ও মইন খান ৪৯ রান করেন। এছাড়া ওপেনার আবু সায়েম করেন ৬০। রাজশাহীর নাহিদ রানা ৬২ রান ৫ উইকেট নেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত