বাড়ির বারান্দা, ছাদ বা ঘরে নানা ধরনের ইনডোর প্ল্যান্টে পোকামাকড়ের সংক্রমণ হতেই পারে। ফলে গাছ নষ্ট এবং মরে যাওয়ার শঙ্কা থাকে। বাজারের কীটনাশক ব্যবহার না করে প্রাকৃতিক উপায়ে সাহায্যে এসব পোকামাকড় দূর করতে পারেন।
নিমপাতা কীটপতঙ্গ প্রতিরোধক হিসেবেও ব্যবহার হয়। নিমের তিক্ত স্বাদ ও তীব্র গন্ধ রয়েছে, যা গাছপালা থেকে পোকামাকড় দূরে রাখতে পারে। তবে পশু-পাখি, গাছপালা এবং মানুষের জন্য বিষাক্ত নয়। গাছকে কীটপতঙ্গ থেকে বাঁচাতে নিমের তেল স্প্রে করুন।
নিমপাতা শুকিয়ে গুঁড়ো করে গাছের গোড়ায় দিন। এগুলো ছাড়া, রাতে নিমপাতা পানিতে ভিজিয়ে পরের দিন সকালে সেই পানি গাছে ছিটিয়ে দিন। এ ছাড়া পাত্রে লিকুইড সাবান এবং গরম পানি নিয়ে তাতে সামান্য নিম তেল মেশান ভালো করে। এটি একটি স্প্রে বোতলে ভরে ব্যবহার করুন।
পরিমিত পরিমাণে লবণ ব্যবহার করলে কীটনাশকের কাজ হবে। এটি শুধু কীটপতঙ্গ প্রতিরোধে সহায়তা করে না, পাশাপাশি ম্যাগনেশিয়ামের মতো পুষ্টির শোষণ বাড়াতেও সাহায্য করে এবং উদ্ভিদকে ফসফরাস ও সালফারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি দেয়। এর জন্য পানিতে কিছুটা লবণ মিশিয়ে স্প্রে বোতলে ভরে গাছগুলোতে ছিটিয়ে দিন। গাছের গোড়ার চারপাশে লবণও ছিটিয়ে দিতে পারেন। প্রতি সপ্তাহে এটি করতে পারেন।
এক-দুই কোয়া রসুন, একটি মাঝারি আকারের পেঁয়াজের সঙ্গে কিছুটা পানি মিশিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। মিশ্রণে এক চা চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো এবং তরল সাবান মেশান। তারপর এই মিশ্রণ ঘরের গাছে স্প্রে করুন।
ইউক্যালিপটাস তেলের তীব্র গন্ধ পোকামাকড় দূর করে। গাছে এই তেল স্প্রে করুন। নিমিষেই পোকা চলে যাবে।
হিংয়ের গন্ধও পোকামাকড়কে গাছের থেকে দূরে রাখে। এক গ্লাস পানি এক চিমটি হিং মিশিয়ে তিন-চার ঘণ্টা রেখে দিন। এবার এই পানি ছেঁকে একটি স্প্রে বোতলে ভরে গাছে স্প্রে করুন।
