‘মেইড ইন চিটাগং’ ছবিটি হাস্যরসে পরিপূর্ণ

আপডেট : ০৯ নভেম্বর ২০২২, ০২:১৮ এএম

চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় নির্মিত চলচ্চিত্র ‘মেইড ইন চিটাগং’ আগামী ১৮ নভেম্বর দেশব্যাপী মুক্তি পাচ্ছে। এতে অভিনয় করেছেন জনপ্রিয় সংগীত তারকা পার্থ বড়–য়া। তার সঙ্গে কথা বলেছেন মাসিদ রণ

মেইড ইন চিটাগং...

ইমরাউল রাফাত পরিচালিত ও এনামুল কবির সুজন প্রযোজিত ‘মেইড ইন চিটাগং’ একটি কমেডি ধাঁচের চলচ্চিত্র। এতে আমার বিপরীতে আছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপর্ণা ঘোষ। আরও অভিনয় করেছেন সাজু খাদেম, নাসির উদ্দিন খান, চিত্রলেখা গুহ প্রমুখ। হাস্যরসে পরিপূর্ণ ভিন্নধর্মী চলচ্চিত্রটি দর্শক উপভোগ করবেন বলে আমার বিশ^াস। আমার অভিনীত চরিত্রটিও একটু অন্যরকম। পূর্ণদৈর্ঘ্য অনুভূতি তো কাজ করছেই।

আঞ্চলিক ভাষায়...

আঞ্চলিক ভাষা নিয়ে এর আগে আমাদের দেশে অনেক ধারাবাহিক নাটক, টেলিফ্লিম প্রচারিত হলেও এটিই প্রথম চলচ্চিত্র। আমি নিজেই চিটাগংয়ের ছেলে। চট্টগ্রামের ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের একটা চমৎকার রম্যে নির্মিত এ চলচ্চিত্রটি নিয়ে আমি বেশ এক্সাইটেড ও আনন্দিত। আমি বিশ্বাস করি চট্টগ্রাম, নোয়াখালী এবং এসব স্থানে অনেক দিন ধরে বসবাসরত মানুষ এই চলচ্চিত্রটি আগ্রহ নিয়ে দেখবেন এবং শিগগিরই পুরো বাংলাদেশ তো বটেই বিশ্বব্যাপী দর্শকরা ‘মেইড ইন চিটাগং’ চলচ্চিত্রটি দেখতে পাবেন।

কালজয়ী গানের আয়োজন...

কালজয়ী গান নতুন করে তুলে ধরার পরিকল্পনা থেকেই ‘সিলন মিউজিক লাউঞ্জ’ ও ‘আমাদের গান’ নামে দুটি আয়োজন শুরু হয়। দুটি আয়োজনের সঙ্গেই আমি আছি। তবে দুটি আয়োজন কিন্তু এক রকম নয়। ‘সিলন মিউজিক লাউঞ্জ’ সাজানো হয়েছে সেসব মৌলিক গান দিয়ে, যেগুলো যুগের পর যুগ শ্রোতার মনে ছাপ ফেলে যাচ্ছে। আইপিডিসির আয়োজনে ‘আমাদের গান’ অনুষ্ঠানটি সাজানো হয়েছে লোকগান নিয়ে।

তরুণ শিল্পীদের প্রাধান্য...

প্রতিভাবান তরুণদের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার লক্ষ্যে আমরা কাজ শুরু করেছিলাম। তাই ‘আমাদের গান’ অনুষ্ঠানে তরুণদের কণ্ঠে তুলে ধরছি শিকড়ের গান। এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে তরুণ শিল্পীদের পাশাপাশি শ্রোতারাও জানার সুযোগ পাচ্ছেন আমাদের লোকগান কতটা সমৃদ্ধ।

সোলসের অ্যালবাম...

চার বছর আগে সোলসের অ্যালবাম প্রকাশের ঘোষণা দিয়েছিলাম। তবে এখনো অ্যালবামটি প্রকাশ করতে পারিনি। আসলে পূর্ণাঙ্গ অ্যালবাম প্রকাশ করা এখন একটু জটিল হয়ে গেছে। আমরা বেশ কিছু নতুন গান তৈরি করেছি। অ্যালবাম আকারে না হলেও একক গান হিসেবে সেগুলো প্রকাশ করার ইচ্ছা রয়েছে। এজন্য হয়তো আরেকটু সময় লাগবে।

পাঁচ দশকের সোলস...

৫০ বছরের মাইলফলক স্পর্শ করল সোলস। এটি যেকোনো ব্যান্ডের জন্য অন্য রকম এক অনুভূতি। নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে এ দেশে ব্যান্ড মিউজিক প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। বিভিন্ন সময় লাইন আপের পরিবর্তন, সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সংগীতে পরিবর্তন, শ্রোতার প্রত্যাশা পূরণ করে যাওয়াসবই চ্যালেঞ্জিং। সেই চ্যালেঞ্জ নিয়েই সোলস এতটা পথ পাড়ি দিতে পেরেছে। ব্যান্ডের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করতে পারা আমাদের জন্য হবে অন্য রকম ভালো লাগা আর প্রেরণার। তাই ব্যান্ডের সুবর্ণজয়ন্তী নিয়ে কী করা যায়, তা নিয়ে সোলসের সবার সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেব।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত