সাইফ পাওয়ার গ্রুপ খুলনা অজেয়ই হয়ে থাকল রূপায়ণ সিটি কুমিল্লার কাছে। দুই বারের দেখায় হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাদের। তবে ৩-২ গোলের হারে রূপায়ণ সিটির তেমন কোনো ক্ষতি হয়নি। দ্বিতীয় দল হিসেবে তারা নিশ্চিত করেছে কোয়ালিফায়ার্সে উঠে গেছে দলটি। রাউন্ড রবিন লিগের খেলা শেষে সুপার ফোর নিশ্চিত করা তিন দলের সংগ্রহ সমান ১৬ পয়েন্ট করে। দিনের অপর ম্যাচে মেট্রো এক্সপ্রেস বরিশাল ও মোনার্ক পদ্মা ২-২ গোলে ড্র করায় তাদের সংগ্রহও রূপায়ণের সমান হয়। তবে গোল গড়ে এগিয়ে থাকায় আগামীকাল প্রথম কোয়ালিফায়ার্সে একমি চট্টগ্রামের মুখোমুখি হবে রূপায়ণ। একই দিন মেট্রো ও মোনার্ক খেলবে এলিমিনেটরে।
ম্যাচে দুই দলই খেলেছে সমানে সমান। আক্রমণে খানিকটা এগিয়ে ছিল রূপায়ণই। গোটা ম্যাচে তারা পাঁচটি পেনাল্টি কর্নার আদায় করলেও একটিও গোলে রূপ দিতে পারেনি। উল্টো ম্যাচের তৃতীয় মিনিটে এগিয়ে যায় সাইফ পাওয়ার গ্রুপ খুলনা। মার্টিন ফ্রেরের আড়াআড়ি হিটে আর্জেন্টাইন তারকা গুইদো বারেইরোসের ফ্লিক জালে জড়ায়। ২৭ মিনিটে অসাধারণ ফিল্ড গোলে রূপায়ণ সিটি কুমিল্লাকে সমতায় ফেরান ভারতীয় প্লে-মেকার প্রদীপ মোর। স্বদেশি দর্শনের বাড়িয়ে দেওয়া বল ধরে ডান দিক দিয়ে শুটিং সার্কেলে ঢুকে জোরালো হিটে সাইফ কিপার বিপ্লব কুজুরকে পরাস্ত করেন প্রদীপ। তবে সাইফ ফের লিড নেয় ৩৩ মিনিটে। এবার ফিল্ড গোল করেন মার্টিন ফ্রে। রূপায়ণ ম্যাচে ফিরেছিল ৫৩ মিনিটে। মিলন হোসেনের কাটব্যাকে দর্শনের ফ্লিক জালে জড়ায়। তবে ৫৭ মিনিটে পাকিস্তানি আজফার ইয়াকুব সাইফ গোল করে জয়ে সাইফের বিদায় নিশ্চিত করেন। এই জয়ে সাইফ পঞ্চম স্থানে থেকে আসর শেষ করেছে।
কাল দিনের অপর ম্যাচে শীর্ষে থাকা একমি চট্টগ্রামকে ৭-৩ গোলের বড় ব্যবধানে হারালেও তলানি থেকেই শেষ করতে হয়েছে ওয়ালটন ঢাকাকে।
পয়েন্ট টেবিল
দল ম্যাচ জয় ড্র হার গোল স্ব/বি পয়েন্ট
একমি চট্টগ্রাম ১০ ৬ ১ ২ ৩৫/২৬ +৯ ১৯
রূপায়ণ সিটি কুমিল্লা ১০ ৫ ১ ৪ ৩৩/৩০ +৩ ১৬
মেট্রো এক্সপ্রেস বরিশাল ১০ ৫ ১ ৪ ২৯/২৮ +১ ১৬
মোনার্ক মার্ট ১০ ৫ ১ ৪ ২৯/৩০ -১ ১৬
সাইফ পাওয়ার ১০ ৪ ০ ৬ ২৫/৩১ -৬ ১২
ওয়ালটন ঢাকা ১০ ৩ ০ ৭ ৩০/৩৫ -৫ ৯
