আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, সরকারের অবশ্যই ভুল-ত্রুটি থাকে, থাকবে। ২০০ বছর আগের সরকারেরও ভুল-ত্রুটি ছিল, ২০০ বছর পরেও সরকারের ভুল-ত্রুটি থাকবে। পৃথিবীর কোনো সরকার দাবি করতে পারবে না অতীতে ও ভবিষ্যতে শতভাগ নির্ভুল কাজ করেছে, করবে। তিনি বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই ভুল-ত্রুটি আছে। সেই ভুল-ত্রুটিগুলোকে যদি অনেক বড় করে দেখা হয়, অর্জনগুলোকে ছোট করে দেখানো হয় তাহলে সমাজের সঠিক চিত্র পরিশ্রুত হয় না। আমরা গণমাধ্যমের সহায়তা চাই।’ গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীতে ঢাকা ক্লাবের স্যামসন এইচ চৌধুরী হলে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় আয়োজিত বিশিষ্ট গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গণমাধ্যম সমাজের দর্পণ। গণমাধ্যম সমাজকে সঠিক চিন্তায় করতে সহায়তা করে, গণমাধ্যম সমাজকে সঠিক খাতে প্রভাবিত করে। আবার গণমাধ্যম চেষ্টা করলে সমাজকে ভুল বার্তাও দিতে পারে। ১৪ বছর ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ পরিচালনা করছেন। আজ বাংলাদেশ একটি নতুন উচ্চতায় উন্নীত হয়েছে। খাদ্য ঘাটতির দেশ থেকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশে রূপান্তরিত হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা গণমাধ্যমের সহায়তা চাই। কারণ গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। গণমাধ্যমের সহায়তা ছাড়া বহুমাত্রিক সমাজব্যবস্থা, গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা, বিতর্ক এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজব্যবস্থার ভিত গভীরে গঠিত হয় না। সে জন্য আপনাদের সহায়তা চাই। আমরা চাই অবশ্যই আমাদের ভুল-ত্রুটি আপনারা তুলে ধরুন। ঠিক একই সঙ্গে আজ যে দেশটা বদলে গেল, যে দেশের প্রশংসা বৈশ্বিক মহামারীর মধ্যে, বিশ্বমন্দার মধ্যে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট প্রশংসা করে, জাতিসংঘের মহাসচিব প্রশংসা করেÑ সেটি বড় আকারে অনেক সময় পত্রিকায় আসে না। কিন্তু কেউ একজন একটি নেতিবাচক কথা বললে সেটি দেখা যায় কোনো কোনো ক্ষেত্রে বড় আকারে পত্রিকায় আসে কিংবা টেলিভিশনে উপস্থাপিত হয়। আমরা এ ক্ষেত্রে আপনাদের সহায়তা চাই।’
