এইচএসসি পরীক্ষায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে বাংলা প্রথম পত্রে সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক প্রশ্নের বিষয়ে যশোর শিক্ষা বোর্ডের গঠিত তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তর এবং শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে এ প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মাউশি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ বৃহস্পতিবার রাতে দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমরা যশোর বোর্ডের তদন্ত প্রতিবেদন পেয়েছি। এখন বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে এর আগে অভিযুক্ত শিক্ষকদের কারণ দর্শানো নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হবে। তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হবে।’
সূত্র জানায়, সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক প্রশ্নটি করেছিলেন ঝিনাইদহের মহেশপুরের ডা. সাইফুর রহমান ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক প্রশান্ত কুমার পাল। ওই প্রশ্ন প্রণয়নে জড়িত চার মডারেটরকেও শনাক্ত করা হয়। তারা হলেন সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শফিকুর রহমান, কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা আদর্শ কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রেজাউল করিম, নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সৈয়দ তাজউদ্দিন শাওন ও মীর্জাপুর ইউনাইটেড কলেজের একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্যামল কুমার ঘোষ।
গত ৬ নভেম্বর বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা গ্রহণের মধ্য দিয়ে শুরু হয় এইচএসসি পরীক্ষা। এ পরীক্ষায় ঢাকা বোর্ডের শিক্ষার্থীদের দেওয়া বাংলা প্রথম পত্র প্রশ্নের ৪র্থ পৃষ্ঠার ১১ নম্বর প্রশ্নে এমন বিষয়ে বেছে নেয়া হয়, যা খুব সংবেদনশীল। আর এ প্রশ্নপত্র করা হয় যশোর বোর্ড থেকে। এ জন্য গত ৮ নভেম্বর যশোর শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক কেএম রাব্বানীকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল।
যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আহসান হাবীব বলেন, বৃহস্পতিবার তদন্ত প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান, ডিজি ও সচিব মহোদয়কে অনুলিপি দেওয়া হয়েছে।
