বিএনপির উদ্দেশ্য দেশকে অস্থিতিশীল করা : তথ্যমন্ত্রী

আপডেট : ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০৩:০৬ এএম

রাজধানীর নয়াপল্টনে জনসভা করা বিএনপির উদ্দেশ্য নয় মন্তব্য করে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, দেশে একটা গণ্ডগোল লাগানো এবং দেশকে অস্থিতিশীল করাই তাদের উদ্দেশ্য। সরকার দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার জন্য কাউকে অনুমতি ও লাইসেন্স দিতে পারে না।

গতকাল শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থল পলোগ্রাউন্ড পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব গতকালও বলেছেন, নয়াপল্টনের সামনেই তাদের জনসভা হবে। আসলে তাদের উদ্দেশ্য জনসভা করা নয়, দেশে একটা গণ্ডগোল লাগানো এবং দেশকে অস্থিতিশীল করা। তাদের আবেদন অনুযায়ী, তাদের সুবিধার্থে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বরাদ্দ দেওয়া হয়। সেখানে না গিয়ে নয়াপল্টনে জনসভা হবে, এটি বারবার ঘোষণা দেওয়ার অর্থ হচ্ছে দেশে একটি গ-গোল লাগানো। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যেই তারা এটি বলছেন।’

প্রধানমন্ত্রীর রবিবারের (আজ) জনসভা উপলক্ষে সারা চট্টগ্রামজুড়ে ব্যাপক সাড়া জেগেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। আমরা আশা করছি, পলোগ্রাউন্ডে আমাদের জনসভায় মাঠ পূর্ণ করে মাঠের বাইরে আরও ৮-১০ গুণ মানুষ হবে।’

ড. হাছান বলেন, ‘চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড অনেক বড় মাঠ। এখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু জনসভা করেছেন। বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাও জনসভা করেছেন। কানায় কানায় পূর্ণ জনসভা হয়েছে। অতীতেও মাঠ ছাড়িয়ে মানুষ বাইরে দাঁড়িয়েছে। কদিন আগে এখানে বিএনপি জনসভা করেছিল। মাঠের তিন ভাগের এক ভাগ পেছনে রেখে তারা মঞ্চ বানিয়েছিল। আর সামনে যে মাঠ ছিল তার অর্ধেক পূর্ণ হয়েছিল।’

জনসভার মধ্য দিয়ে দেশবাসীকে আওয়ামী লীগ কী বার্তা দিতে চায় সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যেহেতু জনগণের রায় নিয়ে সরকার গঠন করেছি, জনগণের সামনে হাজির হওয়া আমাদের দায়িত্ব। দেশ আগে কোথায় ছিল, এখন কোথায় গেছে, আমরা জনগণের জন্য কী করেছি, দেশকে আমরা কোথায় নিয়ে যেতে চাইÑ এগুলো জনগণের সামনে উপস্থাপন করা জনগণের দল হিসেবে আমাদের দায়িত্ব। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা জনগণের নেত্রী, তিনি সেই কথাগুলো মানুষের সামনে তুলে ধরবেন।’ জনসভার আগে প্রধানমন্ত্রী অনেকগুলো উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের উদ্বোধন করবেন বলেও জানান তিনি।

এ সময় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহম্মদ এমপি, সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিন, উত্তর জেলার সভাপতি এম এ সালাম ও সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ টি এম পেয়ারুল ইসলামসহ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত