উমরান মালিকের বলে বোল্ড মোস্তাফিজ। ৩৪তম ওভারের শেষ বলে থামল বাংলাদেশ। ধবলধোলাইয়ের লক্ষ্যে চট্টগ্রামে এসে হারতে হলো ২২৭ রানের বড় ব্যবধানে। বড় জয়ে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়ায় ভারত। সিরিজের প্রথম ও দ্বিতীয় ম্যাচে মিরপুরে যথাক্রমে ১ উইকেটে ও ৫ রানে জিতে সিরিজ নিশ্চিত করে রাখে টাইগাররা।
ইশান কিষানের দ্বি-শতক আর বিরাট কোহলির শতকে ভর করে টাইগারদের ৪১০ রানের লক্ষ্য ছুঁড়েছিল ভারত। সেই লক্ষ্য তাড়ায় নেমে মাত্র ১৮২ রানেই গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশ। রানের হিসেবে বাংলাদেশের এর চেয়ে বড় ব্যবধানে হার আছে মাত্র একটি। ২০০০ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ২৩৩ রানে হেরেছিল তারা।
বড় টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে ওপেনার এনামুল হক বিজয়কে হারিয়ে চাপে পড়েছিল বাংলাদেশ দল। ইনিংসের শুরুতে এক ছয়ে বড় রানের আভাস দিয়েও দর্শকদের হতাশ করে বিজয় ফিরেছেন ৮ রানে। এরপরে অবশ্য সাকিব আল হাসনকে সঙ্গে দিয়ে ভালোই এগোনোর আভাস দেন লিটন।
তবে আবারো বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হলেন টাইগার এই অধিনায়ক। মোহাম্মদ সিরাজের বলে শার্দুল ঠাকুরের কাছে ক্যাচ দিয়ে ২৬ বলে ব্যক্তিগত ২৯ রান করে ফিরে যান তারকা এই ওপেনার। দলের সর্বোচ্চ রান আসে সাকিব আল হাসানের ব্যাটে। ৫০ বলে ৪৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন সাকিব। এরপর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি টাইগাররা। ১৮২ রানে থামে লিটনরা।
এর আগে টসে হেরে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ৪০৯ রান সংগ্রহ করেছে ভারত। দলীয় ১৫ রানে ওপেনার শিখর ধাওয়ানকে হারায় তারা। ৮ বলে ৩ রান করে মেহেদী হাসান মিরাজের শিকার হন এই বাঁহাতি ব্যাটার। এরপর তৃতীয় উইকেটে ইশান কিশান ও বিরাট কোহলি গড়েন ২৯০ রানের জুটি। ১৩১ বলে ২১০ রান করে থামেন ইশান। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ১০টি ছক্কা ও ২৪টি চার। কোহলিও তুলে নেন ক্যারিয়ারের ৭২তম শতক। ৯১ বলে ১১৩ রান করে সাকিবের শিকার হন কোহলি।
শেষ দিকে ওয়াশিংটন সুন্দরের ২৭ বলে ৩৭ ও অক্ষর প্যাটেলের ১৭ বলে ২০ রানের কল্যাণে ৪০৯ রানের স্কোর পায় ভারত। ওয়ানডেতে বাংলাদেশের বিপক্ষে এটিই কোনো দলের সর্বোচ্চ সংগ্রহ। বাংলাদেশের পক্ষে সাকিব আল হাসান, এবাদত হোসেন ও তাসকিন আহমেদ দুটি করে উইকেট নিয়েছেন।
