বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনা করে যত টাকা আয় করেন রেফারিরা!

আপডেট : ১৬ ডিসেম্বর ২০২২, ০৭:১৪ পিএম

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সেরা রেফারিদের বিশ্বকাপে নিয়ে আসে ফিফা। ফাইনাল পর্যন্ত তারা একাধিক ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে থাকেন। এবারও সেরা রেফারিরাই কাতারের খেলার দায়িত্বে ছিলেন। ফাইনাল পরিচালনা করবেন পোল্যান্ডের অন্যতম সেরা রেফারি সিমন মার্চিনিয়াক। রেফারিদের এই অবদানের বিনিময়ে প্রাপ্তির খাতায় যোগ নিয়ে কৌতুহল রয়েছে অনেক ফুটবল ভক্তের। বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনা করে কতই-বা আয় করছেন রেফারিরা? সেটা জানারও আগ্রহ রয়েছে অনেকের।

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এএস জানিয়েছে, বিশ্বকাপের সঙ্গে সম্পৃক্ত প্রত্যেক রেফারিকে ৭০ হাজার ডলার করে ‘মৌলিক ভাতা’ দিয়েছে ফিফা। ২০১৮ বিশ্বকাপ থেকে সিদ্ধান্তটি কার্যকর হয়েছে। সহকারী রেফারিদের জন্যও আছে মৌলিক ভাতা। এবারই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে তালিকাভুক্ত হওয়ার ‘মৌলিক ভাতা’ হিসেবে প্রত্যেক সহকারী রেফারিকে ২৫ হাজার ডলার করে দেওয়া হয়েছে।

চ্যাম্পিয়নস লিগে রেফারিং করে একজন ম্যাচ–অফিশিয়াল যত আয় করেন, বিশ্বকাপে আয় তার তিন গুণ। প্রতিটি ম্যাচ পরিচালনার জন্য আছে আলাদা ভাতা। একজন ম্যাচ রেফারি বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে ম্যাচ পরিচালনা করে তিন হাজার ডলার আয় করেন। প্লে অফ কিংবা ফাইনালে ম্যাচ পরিচালনা করে পান ১০ হাজার ডলার।

রেফারিরা ফিফার সঙ্গে চুক্তি থেকে যে অর্থ আয় করেন, তার সঙ্গে ম্যাচ পরিচালনার অর্থ যোগ হয়। একজন ম্যাচ রেফারি ফাইনালসহ তার জন্য বরাদ্দ করা সব ম্যাচ সফলতার সঙ্গে পরিচালনা করতে পারলে টুর্নামেন্ট থেকে সর্বোচ্চ তিন লাখ ডলার আয় করতে পারেন।

ম্যাচ রেফারির সহযোগী হিসেবে মাঠে দুটি টাচলাইনের দুই পাশে থাকেন সহকারী রেফারি। সাধারণত অফসাইড, ফাউল—এসব খেয়াল করেন তারা। গ্রুপ পর্বে প্রতিটি ম্যাচের জন্য আড়াই হাজার ডলার পেয়ে থাকেন সহকারী রেফারি। প্লে অফ কিংবা ফাইনালে পান পাঁচ হাজার ডলার। সব ম্যাচ ভালোভাবে পরিচালনা করে একজন সহকারী রেফারি টুর্নামেন্ট থেকে দেড় লাখ ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারেন।

চতুর্থ অফিশিয়াল ম্যাচে বদলি খেলোয়াড় নামানো তদারকি করেন। ম্যাচে বল পাল্টানোর বিষয়টিও দেখাশোনা করেন তারা।

সহকারী রেফারি গ্রুপ পর্বে ও ফাইনালের ম্যাচ পরিচালনা করে যে পরিমাণ অর্থ পান, চতুর্থ অফিশিয়ালকেও সমপরিমাণ অর্থ দেয় ফিফা। সহকারী রেফারির মতো চতুর্থ অফিশিয়ালও গোটা টুর্নামেন্ট থেকে সর্বোচ্চ দেড় লাখ ডলার আয় করতে পারেন।

ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির (ভিএআর) দায়িত্বে যাঁরা থাকেন, ম্যাচপ্রতি তাদের আয় তিন হাজার ডলার করে। টুর্নামেন্টের পরের ধাপগুলোয় তারা ম্যাচপ্রতি পেয়ে থাকেন পাঁচ হাজার ডলার। সব মিলিয়ে টুর্নামেন্ট থেকে তারা সর্বোচ্চ ১ লাখ ৭৫ হাজার ডলারের মতো আয় করতে পারেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত