আবাসন আমাদের অন্যতম মৌলিক চাহিদাগুলোর একটি, কিন্তু পরিকল্পিত এবং পরিবেশবান্ধব আধুনিক আবাসন ব্যবস্থা ঢাকা শহরে এখন স্বপ্নের মতো। গত কয়েক দশকে আধুনিক নগরায়ণের নামে আমরা একটি আত্মকেন্দ্রিক নির্বাসিত আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলেছি। যৌথ পরিবারে একত্রে বসবাস, একসঙ্গে বেড়ে ওঠা ও সুখ-দুঃখের ভাগীদার হওয়ার গল্পগুলো জাদুঘরে দেখা যাবে বলে প্রতীয়মান হয়। যদিও প্রান্তিক এলাকায় এখনো কিছুটা হলেও একত্রে বসবাস করার প্রয়াস দেখা যায় কিন্তু বাংলাদেশের প্রাণকেন্দ্র ঢাকা শহরে তা প্রাগৈতিহাসিক ঘটনা। আর সে জন্যই সমাজের চারদিকে আজ এত অনিয়ম আর এত বিশৃঙ্খলা। এ শহরে নেই পর্যাপ্ত খেলার মাঠ, হাঁটার রাস্তা, সবুজের কাছে থাকা অথবা নীল আকাশ দেখার সুযোগ, অনিশ্চিত হয়ে যাচ্ছে বৃদ্ধ বয়সে দুজনে পাশাপাশি হাঁটার পরিসর। সুস্থভাবে বেঁচে থাকার উপকরণের অভাব এখন চারদিকে।
তাই তো ২০ বছর আগে এই অভাব মোচনের তীব্র এক দায় অনুভব করেন রূপায়ণ গ্রুপের কর্ণধার লিয়াকত আলী খাঁন মুকুল। তারই ফলে তৈরি হয় দেশের প্রথম সিটি ব্র্যান্ড রূপায়ণ সিটি। তাদের প্রথম প্রকল্প রূপায়ণ সিটি উত্তরা, দেশের প্রথম প্রিমিয়াম মেগা গেটেড কমিউনিটি।
গতানুগতিক আবাসন ধারার বিপরীত স্রোত বেয়ে উঠে আসা এক অভূতপূর্ব ধারণা ‘ব্রেক দ্য স্কয়ার ফুট স্টোরি’। নাগরিক জীবনের স্কয়ার ফুট গল্পের শৃঙ্খল চূর্ণ করার সংকল্প থেকে তৈরি হয়েছে ৬৩ ভাগ খোলা জায়গা নিয়ে ১৫০ বিঘার একটি পরিকল্পিত আধুনিক প্রিমিয়াম মেগা গেটেড সিটি। এখানে আছে সব বয়সের মানুষের জন্য পর্যাপ্ত সবুজের সমারোহে খোলা জায়গা, নানারকম খেলার মাঠ ও শরীরচর্চার জায়গা, নিরাপদ পরিবেশ, সুপ্রশস্ত হাঁটার জায়গা, বসার স্থান ও পারস্পরিক সম্প্রীতিতে বেড়ে ওঠার মেলবন্ধন। এ যেন ঠিক প্রকৃতির সঙ্গেই বেড়ে ওঠার এক বিরল বর্ণাঢ্য আয়োজন, যা কি না মানুষের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পরিপূর্ণ আয়োজন।
আধুনিক জীবনের সব উপকরণ নিয়ে তৈরি এই প্রাইভেট প্রিমিয়াম মেগা গেটেড সিটি নিশ্চিত করবে আপনার ও আপনার পরিবারের জীবনে অভূতপূর্ব প্রেস্টিজ, প্রটেকশন ও প্রিভিলেজ।
