প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, বিএনপি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলে একটা অপূর্ণতা থেকে যাবে। কোনো দলকে জোর করে নির্বাচনে আনা যাবে না। নির্বাচন কমিশনের প্রতি বিএনপির এখনো অনাস্থা রয়েছে। মঙ্গলবার রাতে বরিশাল জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন বরিশাল বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা, বরিশাল ও বরিশাল অঞ্চলের জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
সিইসি বলেন, সরকারও চায় বিএনপি নির্বাচনে আসুক। নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হোক, সব দল অংশগ্রহণ করুক। প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমে সংসদ গঠিত হোক। সংসদের মাধ্যমে সরকার গঠিত হোক। তাহলে দেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচনব্যবস্থা আরও সুসংহত হবে।
দশম জাতীয় নির্বাচন সাধারণত অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু করার জন্য নির্বাচন কমিশন সর্বাত্মক কাজ করে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন সিইসি। তিনি বলেন, ইভিএম-এ আগামী ভোট অনুষ্ঠিত হবে কি না তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তবে এই পদ্ধতিতে ব্যালটের মতো একজনের ভোট অন্যের দেওয়ার সুযোগ নেই। তবে বিগত দিনে ইভিএম নিয়ে ভোটারদের মনে একধরনের নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি হয়েছে। আমরা সেই ধারণা পাল্টানোর চেষ্টা করছি।
বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মো. আমিন উল আহসানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সচিবালয়ের সচিব মো. জাহাংগীর আলম, নির্বাচন কমিশনের সচিবালয়ের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ কে এম হুমায়ুন কবীর, নির্বাচন কমিশনের সচিবালয়ের আইডিউ প্রকল্প (২য় পর্যায়) প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল হাসানাত মোহাম্মদ সায়েম, উপপুলিশ মহাপরিদর্শক এস এম আক্তারুজ্জামান, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. সাইফুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, পুলিশ সুপার ওয়াহিদুল ইসলামসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
