চীনে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। বিশেষ করে করোনার ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের একটি ধরন বিএফ.৭ সংক্রমণের মাত্রা বাড়িয়েছে। এমন বাস্তবতায় সতর্কতার অংশ হিসেবে আগামী ৫ জানুয়ারি থেকে চীন, হংকং এবং ম্যাকাও থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আগত যাত্রীদের জন্য কভিড পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের জন্য উড়োজাহাজে ওঠার দুই দিন আগে কভিড পরীক্ষা করতে হবে। আর যারা ফ্লাইটের ১০ দিন আগে করোনায় পজিটিভ এসেছে, তাদের নেগেটিভ সনদের প্রয়োজন হবে। এদিকে যুক্তরাজ্য এখনই কোনো কঠোর ব্যবস্থা বা বিধিনিষেধ আরোপ করার কথা ভাবছে না। তবে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে ইতালি, জাপান, মালয়েশিয়া, তাইওয়ান এবং ভারত।
যুক্তরাষ্ট্র বলছে, ওয়াশিংটন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে যাবে এবং প্রয়োজনে সমন্বয় করবে। একই সঙ্গে করোনা সংক্রান্ত তথ্য গোপন করায় চীনকে দোষারোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। কঠোর করোনাবিধি তুলে নেওয়ার পর করোনার সংক্রমণ যখন বাড়ছে বলে খবর প্রকাশ হচ্ছিল ঠিক তখনই প্রতিদিনের কভিড আক্রান্তের সংখ্যা প্রকাশ করা বন্ধ করে দেয় চীন সরকার। পরিস্থিতিকে এত গুরুতর বলতে মনে করে না পেইচিং। উল্টো বুধবার পশ্চিমা দেশগুলোকে অভিযুক্ত করে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখপাত্র ওয়েনবিন বলেন, পশ্চিমা গণমাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ে বাড়াবাড়ি হচ্ছে।
