অভিনেত্রী ও সংসদ সদস্য পেশাগত কাজে যত ব্যস্তই থাকি না কেন আমার নিজের জন্য কিছুটা সময় লাগবেই। মি টাইম আমার খুব প্রিয়। তাই তো আমি ক্যারিয়ারে অত বেশি অ্যাম্বিশাস ছিলাম না। আমি আর্ট ফিল্ম করেছি আবার কমার্শিয়াল সিনেমাও করেছি। দুই জায়গাতেই আমি সমানভাবে সফল। তবে কাজ করতে গিয়ে দেখেছি, সিনেমা অনেক সময়সাপেক্ষ কাজ। বাবাকে দেখেছি, হুমায়ুন ফরীদিকেও দেখেছি, অক্লান্ত পরিশ্রম করে সিনেমা করেছেন। এর ফলে ব্যক্তিজীবন থেকে একদম বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা হয়েছিল। আই ডিড নট ওয়ান্ট টু দ্যাট। আমি অত প্রেশার নিতে চাইনি। তাছাড়া সবাই তো গোলাম মুস্তাফা হতে পারবে না, যিনি রাত দুইটা পর্যন্ত শ্যুটিং করে এসে বই নিয়ে বসতেন। আমার একটু পড়তে হয়, বন্ধুদের সঙ্গে একটু আড্ডা মারতে হয়, আর গান তো আমার জীবনের অংশ। যদিও গলায় একটুও সুর নেই, সেটা ভিন্ন প্রসঙ্গ (হা হা)। এই সময়টাই আমাকে সবচেয়ে এন্টারটেন করে। আমি নিয়মিত নতুন প্রজন্মের কাজ দেখি। ইন্ডাস্ট্রিকে সামনে এগিয়ে নিতে গেলে নতুন ছেলেমেয়েকেই এগিয়ে আসতে হবে। এদেরই নতুন আইডিয়া আসবে মাথায়, তাতে ‘হাওয়া’র মতো আরও নতুন ছবি তৈরি হবে। আমি সম্প্রতি ওয়েব সিরিজ ‘কারাগার’ দেখেছি। আমার মনে হয়েছে আই রিয়েলি ওয়ান্ট টু মিট দ্য ডিরেক্টর। আমি নির্মাতা সৈয়দ সাওকীকে বলেছি, কীভাবে এটা চিন্তা করলে! এগুলো যদি আমি অ্যাপ্রিশিয়েটই না করতে পারি, তাহলে মুখে মুখে বলে বেড়ালাম আমি খুব কালচারড, আমি এদেশের শিল্প-সংস্কৃতি নিয়ে চিন্তিত সেটা তো খুবই হিপোক্রেসি।
×
