শোবিজের তারকারা সারা বছর ভক্ত-দর্শকদের বিনোদনের জন্য কাজ করেন। কিন্তু তারা কীসে বিনোদিত হন? তা জানাতেই এই আয়োজন
নাজনীন হাসান চুমকী
অভিনেত্রী ও নির্দেশক
নিজেকে এন্টারটেইন করতে আমার স্রেফ তিনটি জিনিস লাগে। টিভি দেখা, বই পড়া আর গান শোনা। ওহ্ সঙ্গে ইন্টারনেট অবশ্যই। এই জিনিসগুলো থাকলে আমি কোথায় আছি, কার সঙ্গে আছি এসব নিয়ে একদম ভাবতে হয় না। দিব্যি চালিয়ে দিতে পারি! টিভি দেখা, গান শোনা বা বই পড়ায় আমি এতটাই ডুবে যাই যে নাওয়া-খাওয়া ভুলে যাওয়ার উপক্রম হয়। আমার স্বামী এ নিয়ে বিরক্তও হন। কিন্তু আমার কিছুই করার থাকে না। এমনও হয়, সকালে একটি সিরিজ দেখা শুরু করেছি, পুরোটা না দেখে আমি শাওয়ারও নিতে যাই না। খাই, তাও টিভির সামনে বসেই। গত রাতেই চরকিতে শঙ্খ দাশগুপ্তের ‘গুটি’ সিরিজটি মুক্তির সঙ্গেই দেখতে বসি। পুরোটা দেখতে দেখতে প্রায় রাত শেষ। আমি এতটাই উপভোগ করেছি সিরিজটা বলার মতো না। ‘গুটি’ একটি আন্তর্জাতিক মানের কাজ হয়েছে। এত গোছানো চিত্রনাট্য বহুদিন পর দেখেছি। পরতে পরতে দর্শককে চমকে দেওয়ার মতো বাঁক রয়েছে গল্পে। আর অভিনয়? কার নাম রেখে কার নাম বলব। এই যে বাঁধনকে নিয়ে নির্মাতা ভাবছেন বলেই সে দেখাতে পারছে কত দারুণ অভিনয় করতে পারে। শাহরিয়ার নাজিম জয়ের অভিনয় দেখে তো হা হয়ে গেছি। মৌসুমী হামিদ, নাসিরউদ্দিন থেকে শুরু করে অচেনা কয়েকজন শিল্পীর কাজ দেখলাম, প্রত্যেকে দারুণ করেছে। অনেকে সাবজেক্টটা নিয়ে কথা তুলতে পারেন, কিন্তু এটা তো আমাদের দেশেরই সমস্যা। সেটাই তুলে ধরা হয়েছে। সিরিজটি দেখে বারবার মনে হচ্ছিল, কোন পাপই আপাকে ছেড়ে যাবে না, তার দায় আপনাকে নিতেই হবে।
