‘গোলাম কাসেম বাংলার আলোকচিত্রীর ড্যাডি’

আপডেট : ১০ জানুয়ারি ২০২৩, ০১:৫৭ এএম

গোলাম কাসেম ড্যাডি তার আলোকচিত্রীর পাণ্ডিত্য দিয়ে বাংলার ইতিহাসে এক নতুনত্ব জুড়ে দিয়ে গেছেন। তিনি কেবল আলোকচিত্রী ছিলেন না। ছিলেন গল্পকার ও লেখক। তাই তো তিনি বাংলার আলোকচিত্রীর ড্যাডি হিসেবে সবার মাঝে পরিচিত। গতকাল সন্ধ্যার দিকে কাঁটাবন পাঠক সমাবেশে গোলাম কাসেম ড্যাডির ২৬তম প্রয়াণ দিবসে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

কবি ও গবেষক ইমরান মাহফুজের সঞ্চালনায় আলোচক হিসেবে নগরবিদ ও শিল্প সমালোচক অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কালে ছবি তোলার জন্য তেমন আধুনিক সুবিধা ছিল না। তব্ওু গোলাম কাসেম ড্যাডি তার আলোকচিত্রীর পাণ্ডিত্য দিয়ে বাংলা ইতিহাসে এক নতুনত্ব জুড়ে দিয়ে গেছেন।

কথাসাহিত্যিক স্বকৃত নোমান বলেন, ড্যাডি বাংলা সাহিত্যের অনবদ্য এক পুরুষ। সত্যিকার অর্থে তার গল্পগুলোকে মহাকালে নিয়ে গিয়েছেন। তার মৃত্যুর অনেক বছর পর এক তরুণ তুর্কির জন্য নতুন করে ড্যাডিকে জানতে পেরেছি আমরা।

কাউন্টার ফটো অধ্যক্ষ সাইফুল হক অমি বলেন, ড্যাডি ছবিতে রাজনৈতিক কলঙ্ক দেননি। তাকে জানতে-বুঝতে হলে শত বছর সময় লাগবে।

পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটের বিভাগীয় প্রধান তানভীর মুরাদ তপু বলেন, গোলাম কাসেম জাতির ফটোগ্রাফির ড্যাডিতে রূপান্তরিত হয়েছেন তার কাজের মাধ্যমে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থপতি সালমা এ শফি ও স্থপতি শামিম আমিনুর রহমান, অধ্যাপক হরষিদ বালা, সিরাজুল হক, আলোকচিত্রী শাহীন আহমেদ তনু, আলোকচিত্রী সুদীপ্ত সালামসহ অনেকে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত