নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে গভীর রাতে একটি বাড়িতে চুরি করার অভিযোগে এলাকাবাসীর হাতে আটক হয়েছেন শ্রমিক লীগ নেতাসহ দুজন। গত সোমবার রাত ৩টার দিকে মুছাপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আনার আহমেদের বাড়িতে তারা চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়েন বলে জানিয়েছেন এলাকাটির বাসিন্দারা।
আটকরা হলেন কোম্পানীগঞ্জের চরকাঁকড়া ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সভাপতি মো. সরোয়ার (৪১) এবং মুছাপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সর্দার বাড়ির আবদুল খালেকের ছেলে মো. আলমগীর (৩৮)। আটকের পর পিটুনি দিয়ে তাদের গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
চুরির শিকার একাধিক ব্যক্তির অভিযোগ, শ্রমিক লীগ নেতা সরোয়ার একটি চোরচক্রের নেতৃত্ব দেন। নিজের সিএনজিচালিত অটোরিকশা তিনি ব্যবহার করতেন চুরির কাজে। এর বিনিময়ে তিনি চুরির পণ্য ও টাকাপয়সার অর্ধেক ভাগ নিতেন। সোমবার রাতে সরোয়ারের নেতৃত্বে চোরের দল মুছাপুরে হামিদ মেম্বারের বাড়িতে চুরি করে টাকাপয়সা নিয়ে যায়। এরপর তারা পাশের আনার আহমেদের বাড়িতে চুরির উদ্দেশ্যে যায়। কিন্তু ওই পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে ধাওয়া করে আলমগীরকে আটক করেন। পরে তার তথ্যের ভিত্তিতে সরোয়ারকেও আটক করে এলাকাবাসী। এ ঘটনার সময় আরেক চোর রাসেল পালিয়ে যান। আটক দুজনের কাছ থেকে টাকা ও একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি বাহার উদ্দিন বলেন, ‘যদি কোনো মানুষ ব্যক্তিগতভাবে ভুল করেন তার দায়ভার দল গ্রহণ করবে না।’
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মো. সাদেকুর রহমান শ্রমিক লীগ নেতা সরোয়ারসহ দুজনকে আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় মামলার পর আটকদের আদালতে পাঠানো হয়।
