রোববার, ২৩ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

ইএফএসএএসের প্রতিবেদন

যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাংলাদেশের পরীক্ষা

আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০২৩, ০১:৪২ এএম

ইউক্রেন যুদ্ধ ও যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়ার প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাংলাদেশের নিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতির জন্য একটি পরীক্ষা হিসেবে দেখছে ইউরোপীয় ফাউন্ডেশন ফর সাউথ এশিয়ান স্টাডিজ (ইএফএসএএস)। তারা বলছে, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের শত্রুতা বাংলাদেশের পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। ইএফএসএএসের এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে গতকাল শনিবার এ খবর প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা এএনআই (এশিয়ান নিউজ ইন্টারন্যাশনাল)।

আমস্টারডামভিত্তিক ইএফএসএএস ইউরোপীয় ইউনিয়ন স্বীকৃত একটি স্বাধীন, অলাভজনক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক এবং নীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান।

প্রকাশিত খবরে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া উভয়ের সঙ্গেই বাংলাদেশের সম্পর্ক বজায় রাখা কঠিন হবে। ‘গুমের’ মতো মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর ওয়াশিংটনের সঙ্গে ঢাকার সম্পর্ক সমস্যায় পড়েছে।

এতে আরও বলা হয়, গত বছর রাশিয়া ইউক্রেনে ‘আগ্রাসনের’ পর বাংলাদেশ যে বাহ্যিক চাপের মুখে পড়েছে তা এমন অনুপাতে পৌঁছেছে যে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন ঢাকার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোনো বিদেশি হস্তক্ষেপ চান না বলে সতর্ক করেছেন। বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন যাতে অবাধ ও সুষ্ঠু হয় তা নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশের প্রতি যুক্তরাষ্ট্র আহ্বান জানানোর পর সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হয়। এ প্রসঙ্গে ড. মোমেন বলেন, তার দেশের গণতন্ত্রের বিষয়ে অন্য জাতির নাক গলানোর প্রয়োজন নেই।

এএনআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত কয়েক বছরে বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সঙ্গেও সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় রাখতে হয়েছে। কারণ উভয়ের মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়ছে। ঢাকা উভয়কেই বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে এবং প্রত্যেকের সঙ্গে সৌহার্দ্য ও সহযোগিতা চায়। ড. মোমেন বলেছেন, ‘বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র ও চীন উভয়ের সঙ্গেই সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। এটা একটা চ্যালেঞ্জিং ব্যাপার।’

প্রতিবেদনে বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচন, আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, বিরোধী দলের আন্দোলন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রসঙ্গও টানা হয়েছে।

   
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত