বিশ্বকাপ জয়ী লিওনেল মেসি আজকের অবস্থানে উঠে আসার আগে ২০০৫ সালে অনূর্ধ্ব ২০ বিশ্বকাপ জিতেছিলেন আর্জেন্টিনার হয়ে। তার আগে-পরে আরও পাঁচবার যুব বিশ্বশিরোপা জিতেছে আর্জেন্টিনা, যা সর্বাধিক সাফল্য কোনো দেশের। একবার রানার্সআপও হয়েছে আলবিলেসেলেস্তেরা। সেই আর্জেন্টিনা আসন্ন বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতাই অর্জন করতে পারল না, যা ২০১৩ সালের পর প্রথম। বিশ্বকাপ জয়ের এক মাস পর যুব দলের জন্য লজ্জা পেতে হলো আর্জেন্টিনাকে।
দক্ষিণ আমেরিকা অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে গ্রুপের শেষ ম্যাচে আর্জেন্টিনা হেরে গেছে কলম্বিয়ার কাছে। অথচ এই ম্যাচটি জিতলেই আর্জেন্টিনা যোগ্যতা অর্জন করতে পারত। গ্রুপ ‘এ’তে ছিল আর্জেন্টিনা। এই গ্রুপ থেকে যোগ্যতা অর্জন করেছে ব্রাজিল, কলম্বিয়া ও প্যারাগুয়ে। এই তিন দেশের কাছেই হেরেছে আর্জেন্টিনা। শুধু জয় পায় পেরুর বিপক্ষে। অপর গ্রুপ থেকে যোগ্যতা অর্জন করেছে উরুগুয়ে।
আর্জেন্টিনা ও বার্সেলোনায় মেসির সাবেক সতীর্থ হাভিয়ের মাসচেরানো আর্জেন্টিনা যুব দলের কোচ। ব্যর্থতার দায় কাঁধে নিয়ে সরে যেতে চেয়েছেন তিনি। বলেছেন, ‘ব্যর্থতার সব দায় আমার। ওদের আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে পারিনি। মনে হয় না আমার এই কাজ চালিয়ে যাওয়া উচিত। আপাতত আর্জেন্টিনায় ফিরে শান্তিতে কিছু দিন কাটাতে চাই।’ ২৩তম যুব বিশ্বকাপ ইন্দোনেশিয়ায় আয়োজিত হবে ২০ মে থেকে ১১ জুন পর্যন্ত। আয়োজক ছাড়া বাকি ২৩ দল আসবে বাছাইপর্ব পেরিয়ে।
