পিএসজির আপিল প্রত্যাখান, জিয়েশের সর্বনাশ

আপডেট : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১১:৫৫ পিএম

উইংয়ে নিজেদের শক্তি বাড়াতে হাকিম জিয়েশকে দলে ভেড়াতে চেয়েছিল পিএসজি। তাকে ধারে প্যারিসে পাঠাতে সম্মতও হয়েছিল চেলসি। কিন্তু বারবার ভুল কাগজপত্র পাঠিয়েছিল তারা। সঠিক কাগজপত্র পাঠালেও ততক্ষণে পেরিয়ে যায় নির্ধারিত সময়। ফলে ফরাসি ফুটবল কর্তৃপক্ষের (এলএফপি) কাছে আপিল করে প্যারিস সেইন্ট জার্মেই। সেই আবেদন আজ এলএফপি খারিজ করে দেওয়ায় তাকে আর হচ্ছে না লিওনেল মেসিদের।

বেচারা জিয়েশ! চেলসির ভুলে জিয়েশের এখন আর লিওনেল মেসি-নেইমার-কিলিয়ান এমবাপ্পেদের সতীর্থ হতে পারছেন না। পিএসজির ভুলে তার এমন সর্বনাশ হলো।

বিবিসি জানিয়েছে, এ সময়ের মধ্যে জিয়েশকে ধারে পাঠাতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে পারেনি চেলসি। জিয়েশ এখন প্যারিসে থাকলেও পিএসজির খেলোয়াড় হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি। সময়মতো কাগজপত্র জমা দিতে না পারায় চেলসিকে দুষছে পিএসজি।

গোল ডটকম জানিয়েছে, জিয়েশকে ধার চুক্তিতে বিনিময় করতে সম্মত হয়েছিল পিএসজি ও চেলসি। সে জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে প্যারিসেও ছুটে গিয়েছিলেন ২৯ বছর বয়সী এই উইঙ্গার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এ ধার চুক্তি হয়নি। কারণ, জিয়েশকে ধারে পাঠাতে যেসব কাগজপত্র জমা দিতে হতো, চেলসি দলবদলের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেসব কাগজপত্র সঠিকভাবে পাঠাতে পারেনি। বারবার ভুল কাগজপত্র পাঠিয়েছে।

চেলসি সঠিক কাগজ পাঠাতে পেরেছে দলবদলের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর। কিন্তু ততক্ষণে সর্বনাশ যা হওয়ার হয়ে গেছে। ফরাসি সংবাদমাধ্যম লেকিপ জানিয়েছে, দলবদলের সময়সীমার মধ্যে তিনবার ভুল কাগজপত্র পাঠিয়েছে চেলসি। মধ্যবর্তী দলবদলের নির্ধারিত সময়সীমা ছিল কাল স্থানীয় সময় রাত ১১টা পর্যন্ত। পিএসজির কর্মকর্তারা যে চেলসির ওপর খেপে আছেন, তা বোঝা যায় ক্লাবটির একটি সূত্রের মন্তব্যে।

সংবাদমাধ্যম দ্য অ্যাথলেটিককে নাম প্রকাশ না করার শর্তে সেই সূত্র চেলসির বারবার ভুল কাগজ পাঠানোকে ‘এ ক্লাসের সার্কাস’ বলে মন্তব্য করেছেন।

তিনি বলেছেন: ‘গত রাতটি ছিল খুবই নড়বড়ে। এ ঘটনায় পিএসজির দরজা চেলসির জন্য অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে যেতে পারে। একজন ফুটবলারের ক্যারিয়ারের নিয়ে ব্যবসা করা বা ছিনিমিনি খেলা উচিৎ নয়।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত