ভারতের মধ্যপ্রদেশে ৫৮ বছর বয়সী এক নারীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (৩০ জানুয়ারি) রেউয়া জেলার কৈলাশপুরী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সে অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে।
রোববার (০৫ ফেব্রুয়ারি) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, দুই বছর আগে ওই কিশোরের বিরুদ্ধে মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগ করেছিল ভুক্তভোগী নারীর পরিবার। এর জেরেই প্রতিশোধ নিতে নারীকে হত্যা করে কিশোর।
পুলিশের অতিরিক্ত সুপার (এএসপি) বিবেক লাল বলেন, গত ১ ফেব্রুয়ারি কৈলাশপুরী গ্রামের এক নির্মাণাধীন বাড়িতে এক নারীর নিথর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তদন্তে দেখা যায়, নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে ওই নারীকে। তার মাথা, হাত, গলা, বুক ও গোপনাঙ্গে ধারালো অস্ত্রের আঘাত ছিল।
ভুক্তভোগীর পরিবারের সন্দেহের ভিত্তিতে ওই কিশোরকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরিবারটি জানায়, অভিযুক্ত কিশোর টেলিভিশন দেখতে বাড়িতে আসত। এরপর সে একদিন মোবাইল ফোন চুরি করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় তাদের মাঝে শত্রুতা তৈরি হয়।
পুলিশ জানায়, ঘটনার দিন ভুক্তভোগীর স্বামী ও ছেলে বাড়িতে ছিলেন না। একাই বাড়িতে ঘুমাচ্ছিলেন তিনি। এ সময় তার ওপর হামলা করে ওই কিশোর। মুখে প্লাস্টিক ও কাপড় গুজে দিয়ে তাকে বাড়ির নির্মাণাধীন একটি অংশে নিয়ে যাওয়া হয়।
দম বন্ধ হয়ে অজ্ঞান হয়ে গেলে ওই নারীকে ধর্ষণ ও পরে কাস্তে দিয়ে আঘাত করে হত্যাকাণ্ড ঘটায় অভিযুক্ত। পরে বাড়িতে রাখা গয়না ও এক হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় সে।
অভিযুক্তকে আটক করে কিশোর হোমে পাঠানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ, হত্যা, চুরিসহ নানা অভিযোগে ভারতীয় দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা করা হয়েছে।
