‘দেশ বা উন্নয়নচিন্তা যেসব লেখায় আছে, সে ধরনের গল্প পড়তে চাই; বিশেষ করে যে গল্প পড়ে তরুণ প্রজন্মের হৃদয়ে মা-মাটির প্রতি মায়া জন্মাবে, সে রকম গল্প পড়তে আমার ভালো লাগে।’
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগের শিক্ষার্থী রোকেয়া আক্তার। গতকাল রবিবার বিকেলে অমর একুশে বইমেলা প্রাঙ্গণে দেশ রূপান্তরের তার সঙ্গে আলাপ হলে তিনি এসব কথা বলেন। বইমেলায় এসে কেমন লাগছে জানতে চাইলে তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘মেলা বরাবরই আমার কাছে অন্য রকম ভালোবাসার নাম। করোনায় গত দুই বছর মেলায় আসতে পারিনি। তবে এবারে মেলায় এসে মনটা অনেক ভালো হয়ে গেছে।’
মেলায় বন্ধুদের সঙ্গে এসেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বন্ধুরা পাশে থাকলে অনেক কিছু করা সম্ভব। ওরা আছে বলেই আজকের মেলায় আসতে পেরেছি।’ পাঠক হিসেবে কোন লেখকের লেখা পছন্দÑ জানতে চাইলে তিনি আরও বলেন, পুরনো অনেক লেখকের পাশাপাশি নতুন লেখকদের নতুন বই আমাকে টানে; বিশেষ করে জাফর ইকবালের সায়েন্স ফিকশন, হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাসের ফ্যান অনেক আগে থেকেই। তবে এ বছর নতুন লেখকদের বইয়ের দিকে নজর থাকবে আমার। মেলায় বেছে বেছে একটু পড়ে বই কিনতে পছন্দ করি আমি।’
অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রত্যাশা করে রোকেয়া বলেন, ‘একজন সাহিত্যপ্রেমী হিসেবে একটা অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ চাই। আর এটি বইমেলার মাধ্যমে হওয়া সম্ভব বলে মনে করি।’
মেলার আয়োজন নিয়ে প্রশ্ন রাখতেই তিনি বলেন, ‘সুন্দর ও পরিপাটি আয়োজন হয়েছে। তবে আরেকটু বেশি বসার জায়গা থাকলে ভালো হতো।’
লেখক-পাঠকের মধ্যকার সম্প্রীতি মেলার মাধ্যমে হয়ে থাকে জানিয়ে বলেন, মেলায় এলে পাঠকদের মধ্যে অন্য এক উন্মাদনা কাজ করে। লেখকদের পড়ার অভ্যস্ততা তৈরি কিংবা বইপ্রেমী হয়ে উঠতে এই মেলা অনেকাংশেই সহায়ক।
