কমলাপুরের টার্ফ নিয়ে বিদেশিদের অভিযোগ

আপডেট : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৯:১২ পিএম

কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের টার্ফ যেন এক মৃত্যুকূপ। খটখটে এই টার্ফের সবুজ আস্তরণের নিচে বড় বড় নুড়ি পাথর। ফুটবলারদের যেকোনো সময় যেকোনো ধরনের চোট উপহারে এই টার্ফ সিদ্ধিহস্ত। তারপরও নির্বিকার বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন এখানে নিয়মিত আয়োজন করছে আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া ফুটবল। ফুটবলারদের ঝুঁকিটা তাদের ভাবনাতেই নেই। নিয়মিতই অভিযোগ করে খেলোয়াড়রা।

এবার সেই অভিযোগদাতাদের তালিকায় যোগ দিয়েছে সাফ নারী অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে আসা নেপাল ও ভুটান।

নেপালের নিয়মিত একাদশে খেলা কুসুম খাতিওরা হাঁটুর চোটে ছিটকে পড়েছেন টুর্নামেন্ট থেকে। ভুটানের এক নম্বর কিপার নরবু জাংমো, ডিফেন্ডার গঙ্গা, সোনাম ঘাকিকে মেনে নিতে হয়েছে একই পরিণতি।

নেপালের কোচ ইয়াম প্রাসাদ গুরং বলেন, ‘আমি আগেও বলেছি বল আর টার্ফ নিয়ে সমস্যা হচ্ছে। এখানে খেলে প্রথম ম্যাচেই আমাদের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের একজন কুসুম খাতিওরা হাঁটুর চোট নিয়ে মাঠের বাইরে চলে গেছে। এখানকার টার্ফটা অনেক শক্ত। এখানে খেললে হ্যামস্ট্রিং চোট, মাংসপেশিতে টান ও হাঁটুর চোটের সম্ভাবনা বেশি।’

ভুটানের কোচ কারমা দেমা বলেন, ‘আমার প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক দুই সেন্টারব্যাক চোটে পড়েছে। এবার একজন ডিফেন্ডার চোটে পড়ল। আমাদের টার্ফের সঙ্গে তুলনা করলে এখানকার টার্ফ খুবই বাজে।’

এ নিয়ে জানতে চাওয়া হলে বাফুফের মহিলা উপ-কমিটির চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ দিয়েছেন দায়সারা উত্তর, ‘আমি এটা নিয়ে প্রেসিডেন্টের (কাজী সালাউদ্দিন) সঙ্গে কথা বলব। এই মাঠে সমস্যা আছে, তা সবাই জানে। কিছু করার নেই। এটার যতক্ষণ পর্যন্ত সমাধান না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত সংস্কার করেই খেলতে হবে।’

বাফুফে এই মাঠে খেলে চোটে আক্রান্ত হওয়া কোনো ফুটবলারের চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছে বলে শোনা যায়নি এখনো।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত