চসিক প্রকল্প পরিচালককে মারধর, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৩:৪০ পিএম

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) প্রকল্প পরিচালক মো. গোলাম ইয়াজদীনকে মারধর এবং তার কার্যালয় ভাঙচুরের মামলার প্রধান আসামি ঠিকাদার সাহাবউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে খুলশি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর-দক্ষিণ) নিহাদ আদনান তাইয়ান জানান, গ্রেপ্তার সাহাবউদ্দিন চসিক প্রকল্প কর্মকর্তাকে মারধরের মামলার প্রধান আসামি। গোপন সংবাদ পেয়ে খুলশি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার এজাহারভুক্ত বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার অভিযান চলছে। সাহাবউদ্দিনসহ এ নিয়ে মামলার পাঁচজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হলো।

গ্রেপ্তার সাহাবুদ্দিন বিএনপি সমর্থিত ঠিকাদার। তার নেতৃত্বেই প্রকল্প পরিচালকের ওপর হামলা হয়েছে বলে জানান ডিবি কর্মকর্তারা। ভিডিও ফুটেজ দেখে নিশ্চিত হয়ে তারা জানান, প্রকল্প পরিচালকের ওপর হামলায় অংশ নেন মো. হাবিব, মো. ফেরদৌস, সুভাষ, সঞ্জয় ভৌমিক ওরফে কংকন, মো. নাজিম ও মো. ফিরোজ। সঞ্জয় ভৌমিক কংকন নগর ছাত্রলীগের সাবেক পাঠাগার সম্পাদক, ফেরদৌস, সুভাষ ও হাবিব আওয়ামী লীগের সমর্থক।

২৯ জানুয়ারি বিকাল পৌনে ৪টার দিকে চসিকের প্রকল্প পরিচালক মো. গোলাম ইয়াজদীনের দপ্তরে ঢুকে তাকে মারধর এবং ভাঙচুরের ঘটনায় সংস্থাটির প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা কামাল উদ্দিন বাদী হয়ে নগরের খুলশী থানায় মামলা দায়ের করেন। এতে ১১ জনকে আসামি করা হয়। সেদিন রাতেই নগরের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি সাবেক এক ছাত্রলীগ নেতাসহ চার ঠিকাদারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারা হলেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সঞ্জয় ভৌমিক কংকন, সুভাষ দে, মো. ফিরোজ ও মাহমুদুল্লাহ।

প্রসঙ্গত, অবকাঠামো উন্নয়নে চসিককে ২ হাজার ৩৯২ কোটি টাকার একটি প্রকল্প সরকার অনুমোদন দেওয়ার পর মো. গোলাম ইয়াজদানীকে এর পরিচালক করে ২০২২ সালের ১৪ আগস্ট প্রেষণে নিয়োগ দেয় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। প্রকল্পের আওতায় গত ডিসেম্বরে ২২০ কোটি টাকার ৩৭টি উন্নয়ন কাজ তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ভাগ করে দেওয়ার অভিযোগ তুলে প্রকল্প পরিচালকের কক্ষে ঢুকে মারধরের পাশাপাশি সেখানে ভাঙচুর চালায় একদল ঠিকাদার।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত