বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ হওয়ার লক্ষ্য পূরণ করেছে। আর ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত ও স্মার্ট দেশ গড়ার যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে তা পূরণে পাশে থাকবে চীন। বিশেষ করে প্রযুক্তি খাতে সর্বাত্মক সহায়তা করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের নতুন রাষ্টদূত ইয়াও ওয়েন।
গতকাল মঙ্গলবার পরিকল্পনা কমিশনে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। এসময় চীনের পক্ষ থেকে বিনিয়োগ বাড়াতে আগামী মাসে বিজনেস সামিট আয়োজন করার কথাও জানান রাষ্ট্রদূত। রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানেও চীন সম্ভাব্য সবকিছু করবে বলে জানান তিনি।
ইয়াও ওয়েন বলেন, এ বছর চীনের অর্থায়নে বেশ কয়েকটি মেগা প্রকল্প শেষ হতে যাচ্ছে। সামনে আরও কয়েকটি মেগা প্রকল্প আসছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জীবনমান উন্নয়নে সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে জানান রাষ্ট্রদূত।
ইয়াও ওয়েন বলেন, সোনার বাংলা বিনির্মাণে বাংলাদেশের চাহিদা অনুযায়ী সহায়তা করা হবে। এটা প্রযুক্তি খাত হতে পারে। তাছাড়া খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও কৃষি খাতেও আরও বিনিয়োগ করা হবে। নবায়নযোগ্য জ¦ালানি খাতেও চীন বিনিয়োগে আগ্রহী বলে জানান রাষ্ট্রদূত। চীন আরও অর্থনৈতিক জোন স্থাপনে নজর দিতে পারে জানান নয়া এ রাষ্ট্রদূত।
এক প্রশ্নের জাবাবে রাষ্ট্রদূত দুই দেশের মধ্যে শুল্কমুক্ত বাণিজ্য চালুর বিষয়ে আলাপ চলছে বলে জানান। এ বিষয়ে চীন প্রস্তুত আছে জানিয়ে এ বছরই ঘোষণা আসতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন রাষ্ট্রদূত।
রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে চীনের ভূমিকা কী হবে এমন প্রশ্নের জবাবে ইয়াও ওয়েন বলেন, এটি একটি জটিল সমস্যা, যা গত ৬ বছর বছর ধরে ঝুলে আছে। এটার সঙ্গে অনেক পক্ষ জড়িত রয়েছে। চীন এ ক্ষেত্রে মধ্যস্থতা করছে।
