নাজমুল হুদার তৃণমূল বিএনপি নিবন্ধন পাচ্ছে

আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০২:১৪ এএম

রাজনৈতিক দল হিসেবে নির্বাচনের নিবন্ধন পেতে যাচ্ছে বিএনপির সাবেক নেতা নাজমুল হুদার তৃণমূল বিএনপি। দলটির নির্বাচনী প্রতীক হবে ‘সোনালি আঁশ’। আদালতের আদেশে দলটিকে নিবন্ধন দেওয়া হচ্ছে বলে জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর। তিনি বলেন, সর্বোচ্চ আদালত থেকে নিবন্ধন দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব দলটিকে নিবন্ধন দেওয়া হবে। দেরি করার সুযোগ নেই।

গতকাল বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার আলমগীর।

তিনি বলেন, ‘আদালত নির্দেশনা দেওয়ার পর আর মাঠে খতিয়ে দেখার সুযোগ নেই। কেননা, আদালতের নির্দেশ আমরা পালন করতে বাধ্য। আদালত নিশ্চয়ই সেগুলোর প্রমাণ পেয়েছে।’

এর আগে ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে ইসির নিবন্ধন পেতে আবেদন করে তৃণমূল বিএনপি। যাচাই-বাছাইয়ে বাদ পড়েছিল দলটি। পরে আদালতের দ্বারস্থ হন দলটির প্রধান ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা ২০২২ সালের ১৭ ডিসেম্বর প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে আপিল বিভাগের তিন সদস্যের বেঞ্চ তৃণমূল বিএনপিকে নিবন্ধনের জন্য ইসির প্রতি আদেশ জারি করে।

একই নামে দুটি দলের নিবন্ধন হয়ে যাচ্ছে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘জাসদের তো একই নামে দুটি দল আছে। এখানে আমাদের কিছু করার নেই। সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশ। তাদের মার্কা কী হবে তাও বলে দিয়েছে আদালত। তাদের মার্কা হবে সোনালি আঁশ।’

নতুন দল নিবন্ধনের বিষয়ে তিনি বলেন, ৯৩টি নতুন দল নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছিল। পাঁচটি দল নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় আবেদন না করায় তাদের আবেদন বাতিল করা হয়েছে। দুটি দল আবেদন উইথড্র করেছে (তুলে নিয়েছে)।

আলমগীর আরও বলেন, ‘প্রাথমিক যাচাইয়ে আবেদনপত্রের সঙ্গে যেসব তথ্য দেওয়া প্রয়োজন ছিল সেগুলো অনেক দল দেয়নি। আমরা সেগুলো দেওয়ার জন্য বলেছি। তারা দিয়েছে। আগামী রবিবার যাচাই কমিটি ফের সেগুলো নিয়ে বসবে। এরপর মাঠ পর্যায়ে দলগুলোর কার্যালয়, কমিটি আছে কি না, এসব খতিয়ে দেখা হবে। এতে তারা উত্তীর্ণ না হলে নিবন্ধন পাবে না। অর্থাৎ প্রত্যেকটি বিষয় দেখা হবে।’

জামায়াত নেতাদের নতুন দল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যারা যুদ্ধাপরাধী, অথবা যাদের বিরুদ্ধে মামলা আছে, তাদের সংবিধান, ইসি নীতিমালা এবং আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী নিবন্ধন দেওয়া যাবে না। অনুমাননির্ভর কিছু বলা যাবে না। সবকিছু আমাদের আইনের দৃষ্টিতে বলতে হবে। আমাদের বলতে হবে সংবিধানবিরোধী কিছু থাকলে, আমাদের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে নিষেধ আছে এমন কিছু যদি থাকে, আদালতের যে পর্যবেক্ষণ আছে, বিশেষ করে জামায়াতের বিষয়ে সেগুলো বিবেচনায় নিতে হবে।’

বর্তমানে ইসিতে নিবন্ধিত দলের সংখ্যা ৩৯টি। আগামী সংসদ নির্বাচনের আগে এ সংখ্যা আরও বাড়বে বলে জানান তিনি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত