বিতর্কের মুখে ষষ্ঠ সপ্তমের দুই বইয়ের পাঠদান বন্ধ

আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০২:২৪ এএম

নতুন শিক্ষাক্রমের আওতায় আসা মাধ্যমিকের দুটি শ্রেণির বইয়ে ভুল ও অসংগতি নিয়ে বিতর্ক চলছে। এরমধ্যে ২০২৩ শিক্ষাবর্ষের ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বিষয়ের ‘অনুসন্ধানী পাঠ’ বই দুটি পাঠদান থেকে প্রত্যাহার করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। গতকাল শুক্রবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সংস্থাটি।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ওই দুই শ্রেণির ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান বিষয়ের ‘অনুশীলনী পাঠ’ এবং ষষ্ঠ শ্রেণির বিজ্ঞান ‘অনুসন্ধানী পাঠ’ বই দুটিরও কিছু অধ্যায় সংশোধন করা হবে, যা শিগগিরই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জানিয়ে দেওয়া হবে।

এবারই প্রথম, ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে নতুন শিক্ষাক্রম শুরু হয়েছে। এ জন্য বইগুলো পরিবর্তন হয়েছে। বইয়ের বিষয়বস্তু ও বিন্যাসে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। এরমধ্যে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির কয়েকটি বইয়ের কিছু বিষয়বস্তু নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে দুটি কমিটিও গঠন করেছে। কিন্তু কমিটি দুটির কাজ শেষ হওয়ার আগেই গতকাল ছুটির দিনে আকস্মিকভাবে বই দুটি পাঠদান থেকে প্রত্যাহারের কথা জানাল এনসিটিবি। এর আগে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনিও একাধিকবার বিতর্কিত বই সংশোধনের কথা বলেছেন।

গত ১৮ জানুয়ারি দেশ রূপান্তরে মাধ্যমিকের নতুন শিক্ষাক্রমের বইয়ে ভুল অসংগতি নিয়ে প্রতিবেদন ছাপা হয়। ওই প্রতিবেদনে আরও কয়েকটি বইয়ের ভুল চিহ্নিত করা হয়। এরমধ্যে ষষ্ঠ শ্রেণির ইংরেজি বইয়ে ৪৮টি ভুলের তথ্য দেওয়া হয়েছে।

আগামী বছর প্রাথমিকের দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণি এবং মাধ্যমিকের অষ্টম ও নবম শ্রেণি নতুন শিক্ষাক্রমের আওতায় আসবে। ২০২৫ সালে চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণি এবং দশম শ্রেণি যুক্ত হবে। ২০২৬ সালে একাদশ ও ২০২৭ সালে দ্বাদশ শ্রেণি যুক্ত হবে।

নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে প্রায় তিন বছর আগে কাজ শুরু হয়। ২০২২ সাল থেকে নতুন শিক্ষাক্রম চালুর কথা ছিল। কিন্তু প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও যথাযথ পা-ুলিপি তৈরি না হওয়ায় তা শুরু করা যায়নি। তবে ওই বছর কিছু স্কুলে পাইলটিং করা হয়। এরপর এ বছর থেকে তিনটি শ্রেণিতে তা চালু করা হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত