সর্বজনীন পেনশনের জন্য গঠন হলো কর্তৃপক্ষ

আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৬:৪৪ এএম

দেশে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা চালু করতে জাতীয় পেনশন কর্র্তৃপক্ষ গঠন করেছে সরকার। গত রবিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইন, ২০২৩-এর আওতায় এই কর্র্তৃপক্ষ গঠন করেছে। যদিও প্রজ্ঞাপনে কর্র্তৃপক্ষ গঠনের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলা হয়নি। শুধু বলা হয়েছে, সিদ্ধান্তটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

জাতীয় সংসদে পাস হওয়ার পর গত ৩১ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইন, ২০২৩-এর অনুমোদন দেন। তারপরই এটি গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়েছিল, আইন কার্যকর হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জাতীয় পেনশন কর্র্তৃপক্ষ নামে একটি কর্র্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করবে সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় পেনশন কর্র্তৃপক্ষ গঠন করল অর্থ বিভাগ। আইন অনুযায়ী, সরকার যতক্ষণ এটি সব নাগরিকের জন্য বাধ্যতামূলক না করবে ততক্ষণ পর্যন্ত সর্বজনীন পেনশন ঐচ্ছিক থাকবে। সর্বজনীন পেনশনে ১৮ বছর বা তার বেশি বয়স থেকে ৫০ বছর বয়সী সব বাংলাদেশি নাগরিক অংশ নিতে পারবেন। পঞ্চাশোর্ধ্ব ব্যক্তিরাও বিশেষ বিবেচনায় সুযোগ পাবেন। বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি কর্মীরাও অংশ নিতে পারবেন। তবে আপাতত সরকারি ও আধাসরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মচারীরা সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার আওতাবহির্ভূত থাকবেন।

বর্তমানে শুধু সরকারি কর্মচারীরা অবসরের পর পেনশন সুবিধা পান। সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় তাদের আওতাবহির্ভূত রাখা হলেও আইনে বলা হয়েছে, সর্বজনীন পেনশন পদ্ধতিতে সরকারি অথবা আধাসরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত অথবা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান অংশ নিতে পারবে। এক্ষেত্রে কর্মী ও প্রতিষ্ঠানের চাঁদার অংশ জাতীয় পেনশন কর্র্তৃপক্ষ নির্ধারণ করবে। তবে সরকার প্রজ্ঞাপন জারি না করা পর্যন্ত সরকারি ও আধাসরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মচারীরা সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত থাকবেন না।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত