শেষ হয়ে আসছে বইমেলা। তবু প্রাণের মেলায় শেষ নেই পাঠকের আনন্দময় স্পন্দন। তেমনি এক পাঠক মুজাহিদ ইসলাম আদনান। শেষ সময়ে লক্ষ্মীপুর থেকে পছন্দের লেখকের বই সংগ্রহ করতে মেলায় এসেছেন। জানতে চাইলে আদনান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘অমর একুশে বইমেলা মানেই নতুন বইয়ের সঙ্গে পরিচিত হওয়া, বন্ধুদের সঙ্গে মেলার আনন্দ ভাগাভাগি করা অন্য রকম এক আনন্দ।’
গতকাল বিকেলে মেলা প্রাঙ্গণে তিনি বলেন, ‘মেলার পরিবেশ দারুণ। তবে মনে হচ্ছে, প্যাভিলিয়নগুলো একটু জায়গা সংকটে ভুগছে। শিশু চত্বরে এক চেটিয়া প্রাণের উচ্ছ্বাস এবং অন্ধকারে ধুঁকছে লিটল ম্যাগ চত্বর।’
কেমন বই চান জানতে চাইলে আদনান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘রোমান্টিক কবিতার বই বেশি বেশি চাই। এবারে মেলায় প্রচুর কবিতার বই এসেছে। তবে সেসব কবিতার মান নিয়ে আমার প্রশ্ন আছে। যতটা সম্ভব কবিতার বই দেখেছি, সবগুলোতেই “আমি-তুমি”র ছড়াছড়ি।’
নতুন লেখকদের বিষয়ে প্রশ্ন করতেই তিনি বলেন, ‘অধিকাংশ লেখক মানসম্মত গল্প উপহার দিতে পারেননি। আমাদের মাঝে এখন পর্যন্ত সেই সব গুণী লেখক সাবেক হয়েছেন, তাদের জায়গায় নতুনদের আসতে হবে। এর জন্য তাদের লেখার গঠনমূলক সমালোচনা করতে হবে পাঠকদের।’
পাঠক হিসেবে মেলার প্রত্যাশা কতটা পূর্ণ হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মেলা একজন পাঠকের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রাঙ্গণ আসে আবার সময় হলে ফিরে যায়। তবে লেখক-প্রকাশকের নিরলস শব্দযুদ্ধ তার সঠিক রাস্তা দেখে পাঠকের পথ অনুসরণ করে। পাঠক যখন বাছাইকৃত বই তার ঘরে নিয়ে ফেরেন, তখনই মেলার প্রত্যাশা পূরণ হয়।’
