ঢাকার আশপাশের অবৈধ ইটভাটা বন্ধে ২ সপ্তাহ সময়

আপডেট : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৯:৪৫ পিএম

রাজধানীতে বায়ুদূষণ রোধে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জ ও গাজীপুর জেলায় থাকা সব অবৈধ ইটভাটা বন্ধে দুই সপ্তাহ সময় দিয়েছে উচ্চ আদালত।

বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার এ আদেশ দেয়।

পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্টদের আদেশ বাস্তবায়ন করে প্রতিবেদন দিতে বলেছে হাইকোর্ট।

মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) করা রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে ২০১৯ সালের ২৯ জানুয়ারি হাইকোর্ট বায়ুদূষণ রোধে ব্যর্থতা প্রশ্নে রুল দেয়। রুলের শুনানি নিয়ে ২০২০ সালের ১৩ জানুয়ারি এক রায়ে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ৯টি নির্দেশনা দেয় আদালত।

এর মধ্যে ঢাকায় নির্মাণ ও উন্নয়নকাজ চলছে এমন এলাকায় চারপাশ ঘিরে রেখে কাজ করা, নির্মাণ সামগ্রী ঢেকে রাখা, ঢাকার বিভিন্ন সড়কে ও উন্নয়ন, নির্মাণকাজ চলছে এমন এলাকায় বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পানি ছিটানো এবং ঢাকার আশপাশের জেলাগুলোতে থাকা সব অবৈধ ইটভাটা বন্ধসহ আরো নির্দেশনা ছিল।

সম্প্রতি ঢাকায় অব্যাহত বায়ুদূষণের বিষয়টি উল্লেখ করে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে একটি সম্পূরক আবেদন করা হয়। গত ৩১ জানুয়ারি হাইকোর্ট এক আদেশে এর আগের এক সপ্তাহে ঢাকায় বায়ুদূষণ পরিস্থিতি নিয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্টরা অবগত আছে কি না, থাকলে কী পদক্ষেপ নিয়েছে তা এক সপ্তাহের মধ্যে জানতে চায়।

এরপর ৫ ফেব্রুয়ারি পরিবেশ অধিদপ্তর এক প্রতিবেদনে বলে, গত এক সপ্তাহে ঢাকার আশপাশে পাঁচটি অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করা হয়েছে। বায়ুদূষণ রোধে একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ নিয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। শুনানি শেষে হাইকোর্ট এক আদেশে বায়ুদূষণ রোধে নয় নির্দেশনার কতটুকু বাস্তবায়ন হয়েছে তা জানাতে নির্দেশ দেয়।

আদালতে পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আমাতুল করিম। রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘পরিবেশ অধিদপ্তর বলেছে তারা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে। আরও নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে। কিন্তু হাইকোর্ট তাদের বক্তব্যে সন্তুষ্ট হতে পারেননি। অবৈধ ইটভাটাগুলো অপসারন করতে দুই সপ্তাহের সময় দিয়েছেন আদালত।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত