বায়ার্নের কাছে হেরে পিএসজি গেছে ২৮ বছর পিছিয়ে

আপডেট : ০৯ মার্চ ২০২৩, ০২:০৮ পিএম

চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের জন্য মরিয়া প্যারিস সেইন্ট জার্মেই। তাদের চেষ্টার কোনো ত্রুটি নেই। তারকা ফুটবলার দিয়ে ঠাসা এক দল গড়েছে তারা। তবে ব্যর্থতার বৃত্ত ভাঙতে পারেনি। গত রানে তারা শেষ ষোলোর ফিরতি লেগে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে হেরে বিদায় নিয়েছে টুর্নামেন্ট থেকে। এনিয়ে টানা ১১বার ব্যর্থ হলো পিএসজি।

মেসি-এমবাপ্পে-নেইমারদের নিয়ে পিএসজির এই ‘প্রজেক্টে’র ভবিষ্যৎ নিয়েও তাই প্রশ্ন উঠছে জোরেশোরেই। আর উঠবেই না কেন! ভেবে দেখুন, কাতার বিশ্বকাপে ব্যক্তিগত সেরার দুই পুরস্কারই উঠেছে পিএসজির দুই খেলোয়াড়ের হাতে। ফাইনালে হ্যাটট্রিকসহ মোট ৮ গোল করে ও ২টি গোল বানিয়ে ‘গোল্ডেন বুট’ জিতেছেন এমবাপ্পে। মেসি ‘গোল্ডেন বল’ জিতেছেন নিজে ৭ গোল করে ও সতীর্থদের দিয়ে ২ গোল করিয়ে।

অথচ বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে দুই লেগে মোট ১৮০ মিনিট পেয়েও তাঁদের কেউ গোল করতে পারেননি। ভাবা যায়! এমন দুর্দান্ত স্কোয়াড নিয়েও আবারও ব্যর্থ হতে হলো। সত্যিই মাঝেমধ্যে ফুটবলের রসিকতাও খুব নির্মম হয়!

কতটা নিমর্ম লিওনেল মেসি তার উদাহরণ। ২০২১ সালে মেসি বার্সেলোনা ছাড়ার আগে চ্যাম্পিয়নস লিগে এই ক্লাবের হয়ে সর্বশেষ কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে পারেননি ২০০৭ সালে। এরপর প্রতিবারই অন্তত কোয়ার্টার ফাইনালে খেলেছেন।

কিন্তু পিএসজিতে আসার পর কখনো এ মঞ্চের দেখা পাননি। আরও পরিতাপের বিষয় হলো, চ্যাম্পিয়নস লিগে দুই লেগের ম্যাচে পিএসজি সবশেষ গোল করতে ব্যর্থ হয়েছিল ২৮ বছর আগে। ১৯৯৫ চ্যাম্পিয়নস লিগ সেমিফাইনালে এসি মিলানের বিপক্ষে। এবারের মতো সেবারও দুই লেগ মিলিয়ে ৩-০ গোলে হেরেছিল পিএসজি এবং দুই লেগের স্কোরও একই—১-০ ও ২-০!

কিন্তু সেই দলে জর্জ উইয়াহ ও ডেভিড জিনোলা ছাড়া তারকা তেমন কেউ ছিলেন না। মেসি-এমবাপ্পেদের পিএসজির ক্ষেত্রে কথাটা খাটে না। তারকার হাট নিয়েও কাজের কাজ গোলই তো করতে পারেনি!

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত