কুলি রোডের আর্ট অ্যাপ্রিসিয়েশন

আপডেট : ১২ মার্চ ২০২৩, ০২:০২ এএম

শিল্প কোনো দ্বিবার্ষিক কিংবা ত্রৈবার্ষিক উদযাপন নয়, এটা নিত্যদিনের বিষয়।

পিকাসো বলেছেন, আমাদের আত্মার ওপর দৈনন্দিন জীবনে জমে ওঠা ধুলো পরিষ্কার করাই শিল্পের উদ্দেশ্য।

ঢাকায় তখন ডেভেলপার আসেনি এবং হাউস বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন গৃহনির্মাণ ঋণ বিতরণ করতে শুরু করেনি। এমনকি বাংলাদেশও স্বাধীন হয়নি। এমনকি গণতন্ত্রবাদীদের ব্যর্থতায় পা রেখে আইয়ুব খান সামরিক আইন জারি করে রাষ্ট্রের মালিকানাও নিয়ে নেননি। সমর শাসন শুরুর অল্পকাল আগে আমার জন্ম আজিমপুর সরকারি মাতৃসদনে, জীবনের চতুর্থ দিন থেকে আমার বসবাস কুলি রোডের পশ্চিম পার্শ্বের রাজাবাজার নামের জায়গাটিতে আমার বাবার বাড়িতে। বাড়ি মানে ইমারত নয়। টিন দিয়ে ঘেরা বারান্দাযুক্ত টিনের চালের একটি ঘর। তখন  সেখানে বিদ্যুৎ আসেনি। সেকালে এ ধরনের একটি বাড়ির ভাড়া কোনোভাবেই চল্লিশ টাকার বেশি নয়।

ফার্মগেটের ওপর দিয়ে চলে গেছে পুরাতন ময়মনসিংহ রোড, পশ্চিমমুখী একটি মাটির রাস্তা, নাম ইন্দিরা রোড, পুর্বমুখী ছাল ওঠা একটি সরু রাস্তার দৌড় তেজগাঁও রেলস্টেশন পর্যন্ত। ফার্মগেট জংশন থেকে একটি এক কিংবা দেড় লেনের রাস্তা সোজা দক্ষিণে গিয়ে এখানকার সায়েন্স ল্যাবরেটরির কাছে মিরপুর রোডের সঙ্গে মিলিত হয়েছে। সেই রাস্তাটি এখন ঢের প্রশস্ত, দু’পাশে আকাশ রোধ করা উঁচু ভবন। অত্যন্ত ব্যস্ত সারাক্ষণ জ্যাম লেগে থাকা সবুজের ছোঁয়াহীন রাস্তাটি অবশ্যই গ্রিন রোড।

গ্রিন রোড থেকে যে রাস্তাটি কাঁঠালবাগান বাজারের দিকে চলে গেছে তারই খানিকটা দক্ষিণের বড় ও বুড়ো বটগাছটির কথা এখনো কারও কারও স্মৃতি থেকে অপসৃত হয়নি। এই বটগাছের নিচে বাঁশের ঝুড়ি ও কোদাল হাতে শ্রমক্রেতার আশায় বসে থাকতেন বিভিন্ন বয়সী ‘কুলি’। রাজমিস্ত্রি ও কাঠমিস্ত্রির ব্যবহারিক সরঞ্জামসহ দু’চারজন; কেবল হাতুড়িসহ ইটভাঙার মজুরও। তারা সবাই কুলি। বাংলাদেশে কুলি মূলত বোঝা বহনকারী শ্রমিকের জন্য ব্যবহার করা হলেও দক্ষিণ এশিয়ায় বৃহত্তর অর্থে কুলি মানে নিম্নমজুরির শ্রমিক। এই কুলিদের সমাগমের কারণেই রাস্তাটির নাম হয়ে যায় কুলি রোড। অবশ্য সাতচল্লিশের স্বাধীনতাউত্তর নিম্ন-মধ্যবিত্ত এবং স্বল্পসংখ্যক মধ্যবিত্ত এই রাস্তার দু’পাশে একদিকে তেজতুরি বাজার, কাজীপাড়া, কাঁঠালবাগান, ভূতের গলি। অন্যদিকে রাজাবাজার কলাবাগান আংশিক ধানমন্ডিতে বসতি স্থাপন করে, তাদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ভাড়াটে। অধিকাংশ বাড়িঘর টিনের। প্রধানত হলুদ ও দু’একটি সাদা রঙের বিক্ষিপ্ত হাতে গোনা কটি দালান। শিক্ষিত হয়ে ওঠা মানুষেরা কুলি রোডের বাসিন্দা হতে রাজি নন। তারা এ নাম পাশে নিয়ে পরিচিতির সংকট ও দ্বন্দ্বে ভুগতে থাকেন। রাস্তাটির নামায়ন হলো গ্রিন রোড। আমাদের মর্যাদা বেড়ে গেল। আমি ষাটের দশকের মাঝামাঝি সময়েও পোস্ট কার্ডে হাতে লেখা ঠিকানায় কুলি রোড দেখেছি। ১৯৭২ সালে একটি পোস্ট কার্ডে দেখেছি ‘গ্রিন রোড (সাবেক কুলি রোড)’।

এখানেই জন্ম ও বেড়ে ওঠা বলে কুলি রোডের এপাশে ওপাশে বহু বাড়িতে আমার যাওয়ার সুযোগ হয়েছে। দরজা খোলার পর ভেতরে তাকাতে প্রথমেই চোখ আটকে যেত সুন্দর কাঠের ফ্রেমে কাচে ঢাকা নিটোল কিছু শিল্পকর্ম। অধিকাংশ মূলত সুঁই-সুতো ও পুঁতির কাজ। কালো-সাদা কিংবা গোলাপি কাপড়ের ওপর পুঁতির তাজমহল আর তাজমহলের নিচে নজরুলের বিখ্যাত পঙ্ক্তিমালা।

তাজমহলের পাথর দেখেছ

দেখেছ কি তার প্রাণ

অন্তরে তার মমতাজ নারী

বাহিরেতে শাজাহান।

কখনো কখনো রঙিন সুতোর শিল্পীর নামও লেখা থাকতে দেখেছি, কখনো শাহানা, কখনো সুরাইয়া, কখনো নুরুন্নাহার। কোনো কোনো ফ্রেমের তাজমহলের বয়স পনেরো কিংবা কুড়ি বছর। স্বামীর সঙ্গে শহরে আসা অল্পবয়সী বউটি সংসারজীবনের প্রারম্ভে এই কাজটি করেছেন, এখন মধ্যবয়সী। শুধু তাজমহল নয়, বালিশের কভারে, চাদরের প্রান্তেও শিল্পকর্ম। সেখানে ফুলের বৈচিত্র্য। রঙিন সুতোর ফুলদানি উপচে পড়া ফুল, নিচে লেখা : ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না/ একলা জেগে রই।

সুঁই-সুতোর মক্কা শরিফ, মদিনা মনোয়ারা চোখে পড়ত। আমি দেয়ালে সোহরাব-রুস্তম ও লাইলি-মজনুও দেখেছি।

আমি সত্তর ও আশির দশকে দেখেছি ‘কী আশায় বাঁধি খেলাঘর’ লেখাটির ওপরে ঝড়ের কবলে পড়া বেশ ক’টা নারিকেল গাছ। সুতোর পঙ্খীরাজ, পুঁতির দুলদুল ঘোড়া, সুতোর রবীন্দ্রনাথ, নজরুল এবং পেন্সিলে আঁকা ফিদেল ক্যাস্ত্রোও দেখেছি।

পশ্চিমের বিভিন্নমুখী শিল্প আন্দোলনের অংশী না হয়েও আমাদের তরুণী মায়েরা কিছুটা বাস্তব কিছুটা বিমূর্ত শিল্পকর্ম শুধু করেননি, প্রদর্শনের জন্য ঘরের পার্টিশনে, বেড়ার বিভাজনে, দেয়ালে তা টাঙিয়েছেন, অভ্যাগতদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

এসব বাড়ির শিশুদের শিল্পের সমঝদার হওয়ার শুরুটা মায়ের শিল্পকর্ম দেখে, মায়ের কণ্ঠে ঘুমপাড়ানি ও বিরহের গান শুনে, সুন্দর কিছু দেখে মায়ের বিস্মিত হওয়াকে অনুসরণ করে।

সংবাদপত্রে তখন সাদা-কালোরই যুগ। সিনেমা পত্রিকায় ছাপা ‘সাগরিকা’র উত্তম কুমার ও সুচিত্রা সেনের ছবি কেটে বাঁধাই করে টাঙিয়ে রাখতে দেখেছি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং কাজী নজরুল ইসলামের পাশাপাশি দুটি ফ্রেমবন্দি ছবি তো বহু বাড়িতেই ছিল।

চিত্রশিল্পের একজন খ্যাতিমান সমঝদার ডেভিড রকেফেলার খুব খাঁটি একটি কথা বলেছেন : পৃথিবীর তাবত শিল্পের ঐতিহাসিক ও কিউরেটররা আমাকে যত না শিল্প বুঝতে সাহায্য করেছেন তার চেয়ে অনেক বেশি শিখেছি আমার মায়ের কাছে।

সুন্দরের ধারণাই হচ্ছে সব শিল্পের মৌলিক বিষয়। এই কথাটি তলস্তয়ের।

নন্দলাল বসু বলেছেন, রসের উদ্রেক করাতেই শিল্পের স্বার্থকতা।

ছবির ইতিহাস যে তিরিশ হাজার বছরের পুরনো কিছু দেয়ালচিত্র তো সেই সাক্ষ্য দেয়। মানুষ শিল্পের সমঝদার না হলে তিরিশ হাজার বছর ধরে এগুলো টিকে থাকত না।

মাঝখানে মোনালিসা নেই, এই শূন্যস্থান দেখতে মানুষের ঢল নেমেছে, চুরির পর ল্যুভ মিউজিয়াম

আমি কুলি রোডের শিল্পের কথা বলছি; রাস্তার দু’পাশে প্রায় প্রতিটি বাড়ির সামনে এক চিলতে জায়গা থাকলেও তাতে ছোট্ট একটি ফুলের বাগান থাকত। চকচকে উজ্জ্বল হলুদ গাঁদা ফুল আর গন্ধরাজ মন ভরিয়ে দিত। কিছু বাড়তি জায়গা থাকার কারণে আমার বাবা আমাদের বাড়িটাকে প্রায় বাগানবাড়িই বানিয়েছিলেন, লতাগুল্মের মাচার ছাউনির তলা দিয়ে দরজা পর্যন্ত এগিয়ে টোকা দিতে হতো। ফুলের নাম ছিল গেট ফুল। এমন বাড়ি ছিল বহুসংখ্যক। আমাদেরই এক আত্মীয় ফুল বাগানের পেছনে শ্রম না দিয়ে জায়গাটাতে বেগুন ক্ষেত করার পরামর্শ দিয়েছিলেন, খেতেও পারবে, চাইলে বেঁচতে পারবে।

খুবই খাঁটি কথা। ফুল বেচাকেনার ধারণা ইউরোপে থাকলেও ঢাকায় তখন ছিল না। ফুলের উপকারিতা কি কিংবা আদৌ কোনো উপকারিতা আছে কিনা তখনই আমরা বুঝিনি। আমি অনেক কাল এটা বুঝতে পেরেছি আমার বাবা ‘বেগুন অ্যাপ্রিসিয়েশন’টা ঠিক বোঝেননি, সম্ভবত ‘আর্ট অ্যাপ্রিসিয়েনশন’ কিছুটা বুছেছিলেন বলেই সুন্দর নিয়ে থাকতে চেয়েছেন।

আমার বাসার কাছাকাছি ফুলবাগান সমৃদ্ধ বেশ কটি বাড়ি ছিল, ফুল-সূচকে তাদের তুলনায় আমরা তখন দরিদ্রই ছিলাম। এটাও সত্য কোনো কোনো বাড়ির সামনে বা পেছনে বাগান করার জায়গা ছিল না। এমন সব বাড়িতে দরজার দুপাশে দুটো মাটির টবে গোলাপ গাছ বেড়ে উঠতে আমরা দেখেছি।

আর্ট অ্যাপ্রিসিয়েশন নিয়ে রসালো একটু কৌতুকও আমার বাবার মুখে শুনেছি। প্রদর্শনীতে দুর্বোধ্য একটি বিমূর্ত পেইন্টিং দেখে মাথামুন্ডু কিছুই উদ্ধার করতে না পেরে ক্ষেপে গেলেন একজন দর্শক এবং বললেন, ‘এটাকে এখানে কেনো ঝুলিয়েছে?’

ছবি দেখতে আসা তার পাশের একজন বলে উঠলেন, ‘শিল্পীকেই ঝুলানোর কথা ছিল, কিন্তু তাকে পায়নি।’

যথেষ্ট রূঢ় এই কৌতুকটি আমার শিল্পবোধকে এতটাই নাড়া দিয়েছিল যে ইচ্ছে করছিল সেই দর্শককে সঙ্গে নিয়ে চিত্রপ্রদর্শনী ঘুরে বেড়াই এবং তার প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ঝুলিয়ে রাখার মতো শিল্পীদের  একটি তালিকা করি। এটাও অ্যাপ্রিসিয়েশন।

পিকাসো অবশ্য ভিন্ন কথা বলেছেন : তুমি শিল্প বোঝার চেষ্টা করছ কেন? তুমি কি পাখির গান বুঝতে চেষ্টা করো?

দার্শনিক আর্থার শপেনহাওয়ার ভিন্ন পরামর্শ দিয়েছেন : ‘তুমি শিল্পকর্মের সামনে রাজপুত্রের মতো আচরণ করো। আগে শিল্পকর্ম তোমার সঙ্গে কথা বলুক।’ শিল্পই নিজেকে তুলে ধরবে।

বিংশ শতকের ‘অ্যাকশন আর্টিস্ট’ জ্যাকসন পোলক তার ছবির নাম দিতেন না, লিখতেন কোনো একটি নম্বর। যেমন ১৯৪৮-এর ১ নম্বর। তিনি মনে করতেন ছবির একটি নাম দিয়ে দিলে ছবির দর্শকের কল্পনাশক্তি সীমিত হয়ে পড়ে। তাকে কল্পনা করার অঢেল সুযোগ দিতে হবে।

সাধারণভাবে আর্ট অ্যাপ্রিসিয়েশনে হচ্ছে কেমন করে ছবিটাকে দেখতে হয় এবং বুঝতে হয় তার ধারণা। এটা শিল্পের ইতিহাসও নয়, সমালোচনাও নয় কিংবা ছবিটা পছন্দের বা পছন্দের কিনা তাও নয়।

শিল্প কেন? ভিনসেন্ট ভ্যান গখ বলেছেন, জীবন যাদের বিধ্বস্ত করে দিয়েছে তাদের সান্ত¡না দেয় শিল্প।

কিন্তু যারা নিজেদের জীবনকে বিধ্বস্ত মনে করেন না তাদের বেলায়?

ফিদ্রা কালো কি আঁকেন? তার সহজ জবান : আমি স্বপ্ন বা দুঃস্বপ্ন আঁকি না। আমি আমার বাস্তবতাকে আঁকি।

তাহলে বিমূর্ততা কী? পাবলো পিকাসোর জবাব, বিমূর্ত শিল্প বলে কিছু নেই। আপনাকে অবশ্যই একটা কিছু নিয়ে শুরু করতে হবে, তারপর বাস্তবতার চিহ্নগুলো তুলে দেবেন।

১১ আগস্ট ১৯১১ ল্যুভ জাদুঘরে গ্যালারি থেকে উধাও হয়ে গেল লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির ‘মোনালিসা’। ছবিটি উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন যে বিপুলসংখ্যক মানুষ ‘মোনালিসা’বিহীন শূন্যস্থানটি দেখতে আসতেন তা ছবি থাকা অবস্থার দর্শকের চেয়ে বহুগুণ বেশি। এই শূন্যস্থানও কি ছবি নাকি কেবলই কৌতূহল?

কোনটি সুন্দর পাথর না পাথরের অন্তর্গত আরও কিছু? মাইকেলেঞ্জেলো বলেছেন, ‘আমি পাথরের ভেতর দেবদূতের দেখা পাই এবং তাকে পাথরের ভেতর থেকে মুক্ত না করা পর্যন্ত পাথর কাটতে থাকি।’

তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাস্কর্য ডেভিড সম্পর্কে বলেন : আমার মনের মধ্যে ডেভিডের অবয়ব সৃষ্টি করি এবং পাথর কাটতে কাটতে যা কিছু ডেভিড নয়, সবই ছেঁটে ফেলে দিই।

আর্ট অ্যাপ্রিসিয়েশনের শ্রেষ্ঠ গুরু কে?

রেমব্রান্টকে অনুসরণ করুন : কেবল একমাত্র গুরু প্রকৃতি-পেইন্টিং হচ্ছে প্রকৃতির দৌহিত্র।

এর সঙ্গে কি ধর্মের বিরোধ আছে? বিরোধিতার কথা বলা একটি পুরনো ফ্যাশন, যদিও রেমব্রান্ট মনে করেন পেইন্টিংয়ের সঙ্গে ঈশ্বরের সম্পর্ক রয়েছে। একটি পেইন্টিংকে তখনই সমাপ্ত বলা যাবে যখন তার ওপর ঈশ্বরের ছাড়া পড়ে।

শিল্প বোঝার কোনো আদ্যশর্ত আছে কি? পিয়েরে অগাস্ত রেনোয়া বলছেন, তোমার সকল শিল্পতত্ত্ব নিয়ে প্রকৃতির কাছে এসো, দেখবে প্রকৃতি সব কিছু কুপোকাত করে দিয়েছে।

আবারও কুলি রোড দিয়ে ফার্মগেট হয়ে ইন্দিরা রোডের মাঝামাঝি এলে একটা বিশাল বকুল ফুলের গাছের দেখা মিলত। সেখানে ভোরবেলায় আমি যাদের ফুল কুড়াতে দেখেছি পরবর্তী জীবনে তাদের অনেককেই দেখেছি শিল্পবোদ্ধা হিসেবে। যাদের একদা পল্টন থেকে পোস্টার কিনে দেয়ালে সাঁটাতে দেখেছি তাদের শিল্পবোধও আমার মধ্যে সমীহ জাগিয়েছে। যাদের বাড়িতে বেড়ে ওঠা কৃষ্ণচূড়া গাছ কুলি রোডে ছায়া বিছিয়েছে তারা জানুন না নাই জানুন তাদের শিল্পবোধ আমাদের শ্রদ্ধা কুড়িয়েছে।  আমার শৈশবের যা কিছু অর্জন তার অনেকগুলোই কুলি রোডের দু’পাশ থেকে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত