রোববার, ২৩ জুন ২০২৪, ৯ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

তিন ধাপে পাঁচ সিটির নির্বাচন জুনের মধ্যে

আপডেট : ১৬ মার্চ ২০২৩, ০১:৪৫ এএম

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে পাঁচ সিটি করপোরেশনের ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী মে থেকে জুনের মধ্যে তিন ধাপে এসব নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে। সবগুলো নির্বাচনে ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হবে।

গতকাল বুধবার কমিশনের বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশনার সচিব মো. জাহাংগীর আলম এ তথ্য জানিয়েছেন। এপ্রিলে এসব নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানান তিনি।

জাহাংগীর আলম বলেন, গাজীপুর, রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট ও খুলনা সিটি করপোরেশনে আগামী মে থেকে জুনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কোন সিটিতে কখন নির্বাচন হবে তা সময় অনুযায়ী জানানো হবে। এইচএসসি পরীক্ষা হবে ৭ জুলাই থেকে। এজন্য এসএসসি পরীক্ষার পর ২৩ মে থেকে ২৯ জুনের মধ্যে পাঁচ সিটির ভোট করার বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, তফসিলের সময় কোনটা, কোন তারিখে হবে তা জানানো হবে। এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে তফসিল ঘোষণা করা হবে।

ইসি সচিব জানান, রোডম্যাপের আলোকে কোন কাজে কতটুকু অগ্রগতি, তা কমিশনকে জানানো হয়েছে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ, নতুন দল নিবন্ধন, নির্বাচনী সীমানার খসড়া প্রকাশ, পর্যবেক্ষক সংস্থার আবেদন যাচাই-বাছাই চলছে।

জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি থেকে প্রাপ্ত তথ্য বলছে যে, ১ লাখ ১০ হাজার মেশিন মেরামত করে আমরা আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ব্যবহার করতে পারব। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থপ্রাপ্তি সাপেক্ষে আমরা সংখ্যাটা (ইভিএম ও আসনে ব্যবহার হবে) চূড়ান্ত করতে পারব।’

সর্বোচ্চ কতটি আসনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে এমন প্রশ্নের জবাবে কমিশনার জাহাংগীর বলেন, ‘সংখ্যা নির্ভর করবে ইভিএম মেশিনের ওপর। কতগুলোকে ব্যবহারযোগ্য করে তুলতে পারব, তার ওপর নির্ভর করছে কতটি আসনে ইভিএমে ভোট হবে। আমাদের সক্ষমতা অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৭০ থেকে ৮০ আসনে ইভিএম ব্যবহার করা যাবে। এটার আপ্রাণ চেষ্টা করা হবে, এ সিদ্ধান্ত থেকে আমরা সরে আসিনি।’

তিনি আরও বলেন, আয়তনে ছোট এবং ভোটার সংখ্যা কম, এমন এলাকা বেছে নিলে বেশি সংখ্যক আসনে ইভিএমে ভোট নেওয়া যাবে। এলাকা বড় হলে ইভিএমের আসন কমে যাবে।

দুবাইয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের এনআইডির বিষয়ে জাহাংগীর আলম বলেন, ঈদুল ফিতরের পরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে একটি দল পাঠিয়ে প্রাইলট প্রকল্প চালু করা হবে। ভোটাররা সংশ্লিষ্ট দূতাবাসে এসে আবেদন করবেন। সেই আবেদন স্থানীয়ভাবে যাচাই-বাছাই ও তদন্ত হবে। পরে দূতাবাসে এসে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও অন্যান্য তথ্য নেওয়া হবে। এরপর নির্বাচন কমিশন স্মার্টকার্ড তৈরি করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দূতাবাসে পাঠানো হবে। সেখান থেকে এনআইডি নিতে পারবেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

   
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত