পটুয়াখালীর বাউফলে দুই শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় সৈকত (১৪) ও সিফাত (১৪) নামের দুই কিশোরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার ভোররাতে সৈকত এবং সকালে নিজ বাড়ি থেকে সিফাতকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, চাঞ্চল্যকর এ জোড়া খুনের পর থেকেই অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশ তৎপর হয়। এরই অংশ হিসেবে গতকাল ভোররাতে সৈকতকে ভোলার চর বোরহানউদ্দিনের তরমুজ ক্ষেত থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। সৈকত ইন্দ্রকুল গ্রামের দুলাল হোসেনের ছেলে। পরে সৈকতের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার সূর্যমনি ইউনিয়নের ইন্দ্রকুল গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে সিফাতকে গ্রেপ্তার করা হয়। সিফাত ওই গ্রামের আবদুল জলিলের ছেলে। এর আগে নাফিসের মা নার্গিস বেগম বাদী হয়ে সৈকত ও সিফাতসহ ছয়জনকে আসামি করে বাউফল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এতে অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জনকে আসামি করা হয়।
উল্লেখ্য, গত বুধবার বাউফলের সূর্যমনি ইউনিয়নের ইন্দ্রকুল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মারুফ (১৫), নাফিস (১৬) ও সিয়াম (১৫) ওই বিদ্যালয়ের ছুটির পর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বাড়ি যাওয়ার পথে নবম শ্রেণির ছাত্র নাইম, রায়হান, হাসিবুল, সৈকত ও সিফাতের হাতে ছুরিকাহত হন। তাদেরকে উদ্ধার করে প্রথমে বাউফল হাসপাতালে ও পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মারুফ ও নাফিস মারা যায়। পায়ে পা লাগার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকান্ড ঘটানো হয়।
