বন্ধ ক্লাবগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত ঈদের পর

আপডেট : ১২ এপ্রিল ২০২৩, ১১:৫২ পিএম

২০১৯ সালে ক্যাসিনোকাণ্ডে নামি কিছু ক্লাবের দরজায় তালা ঝোলে। ক্রীড়াঙ্গনে স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে ব্যর্থ হয় তারা। বন্ধ হয়ে যাওয়া অধিকাংশ ক্লাব আর খেলায় ফিরতে পারেনি। অথচ এ কেলেঙ্কারির হোতারা জামিন নিয়ে বেরিয়ে এসে দাপটের সঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছে। স্থানীয় ক্রীড়া কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ওই ক্লাবগুলো দ্রুতই খুলে দেওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া মিলেছে সংশ্লিষ্ট মহল থেকে।

গতকাল বৃহস্পতিবার ক্লাবগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সাবেক ফুটবলার আবদুল গাফফার। সেই বৈঠকের পর যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিষয়টি সমাধানের জন্য ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে ঈদের পর একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা আহ্বান করতে বলেছেন বলে জানিয়েছে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।

প্রতিমন্ত্রী সাক্ষাৎকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেন, যারা দোষী তাদের শাস্তি অবশ্যই হওয়া উচিত। তবে ব্যক্তির দোষের কারণে ক্লাবগুলোর কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে, যা সমীচীন নয়। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও অচিরে ক্লাবগুলো খুলে দেওয়ার বিষয়ে আশ্বস্ত করেন।

বৈঠকে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব পরিমল সিংহ ও জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্রীড়াবিদ আবদুল গাফফারও উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘ক্যাসিনোকাণ্ডের হোতারা জামিনে বেরিয়ে এসে স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন। কিন্তু ক্লাবগুলো ধুঁকছে। এটা আমার কাছে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বিষয় মনে হয়েছে। অনেক ক্লাব কর্মকর্তা ব্যক্তিগতভাবে আমাকে জানিয়েছেন, ক্লাব বন্ধ থাকায় হোটেলে খেলোয়াড়দের রেখে ঘরোয়া ক্রীড়া কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করতে হচ্ছে। তাতে ক্লাবগুলো আর্থিকভাবে সর্বস্বান্ত হওয়ার পথে। এ কারণে ক্লাব খুলে দেওয়ার বিষয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছি।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত