টাকার অভাবে বাংলাদেশের নারী ফুটবলাররা মায়ানমার যেতে পারেননি। তাই সাবিনা খাতুনরা খেলতে পারেননি অলিম্পিকের বাছাই পর্ব। তবে সেটা বাফুফের ভুল বুঝাবুঝির কারণেই হয়েছে বলে দায় স্বীকার করেছেন ফেডারেশনের সহ-সভাপতি আতাউর রহমান মানিক। এই ভুল থেকে শিক্ষা নিতে চান তারা। চলতি বছরের বাকি থাকা সূচিগুলোর আর কোনোটি যেন মিস না হয়, সেটাই এখন লক্ষ্য দেশের ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাদের।
সবচেয়ে কাছাকাছি সময়ের সফর সিঙ্গাপুরে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৭ চ্যাম্পিয়নশিপের রাউন্ড ওয়ান। এছাড়া ফিফার তিনটি উইন্ডো জুলাই, অক্টোবর ও ডিসেম্বর। এই চারটি আসরের জন্য বাজেট তৈরি করেছে বাফুফে। আনুষ্ঠানিক বাজেট ঘোষণা করা না হলেও তাতে দুই থেকে আড়াই কোটি টাকা ঘাটতি আছে বলে জানিয়েছেন সহ-সভাপতি মানিক।
এই টাকা বাফুফে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং বিভিন্ন স্পন্সরের কাছে চাইবে, ‘আলোচনায় আমরা নারী ফুটবলের বাজেট নিয়ে আলোচনা করেছি। যেন ভবিষ্যতে মায়ানমারে না যাওয়ার মতো পরিস্থিতি এড়ানো যায়।’
তিনি আরও বলেছেন, ‘এ বছর বাকি টুর্নামেন্টগুলোতে অংশগ্রহণের জন্য স্পন্সর, এএফসি ও ফিফা থেকে প্রাপ্য অর্থ মিলিয়ে মোট সাড়ে ৫ কোটি টাকা পেতে পারি নারী ফুটবলের জন্য। কিন্তু বাকি টুর্নামেন্ট খেলতে আরও দুই আড়াই কোটি টাকা লাগবে। আমরা বাজেট নিয়ে আবার আলোচনা করে পূর্ণাঙ্গটা সেট করব। এই টাকাটা আমাদের জোগাড় করতে হবে। আমরা যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কাছে বা স্পন্সরদের কাছে এই টাকা চাইব।’
