চট্টগ্রাম বন্দরের ১৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

আপডেট : ২৫ এপ্রিল ২০২৩, ০৬:৪৫ এএম

দেশের অর্থনীতির স্বর্ণদ্বার খ্যাত চট্টগ্রাম বন্দরের ১৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। এই দীর্ঘ অভিযাত্রায় চট্টগ্রাম বন্দর আজ বিশে^র শীর্ষ বন্দরগুলোর তালিকায় নিজস্ব অবস্থান সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে। লয়েড লিস্টের বিশে^র একশো সেরা বন্দরের তালিকায় ৬৪তম স্থানে রয়েছে এই বন্দরের নাম। বন্দর কর্মকর্তারা বলছেন, বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে একাধিক মেগা প্রকল্প। নতুন নতুন দেশের সঙ্গে বন্দরের পণ্য পরিবহন চালু হচ্ছে।

বন্দরের পরিসংখ্যান পর্যালোচনায় দেখা যায়, কভিড ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব সত্ত্বেও চট্টগ্রাম বন্দর কার্গো, কন্টেইনার ও শিপ হ্যান্ডলিং প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রবৃদ্ধি অর্জনে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রাখতে সক্ষম হয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে চট্টগ্রাম বন্দরে কার্গো হ্যান্ডলিং হয় ১১ কোটি ৩৭ লাখ ২৯ হাজার ৩৭৩ মেট্রিক টন। আর ২০২১-২২ সালে কার্গো হ্যান্ডলিংয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ১১ কোটি ৮১ লাখ ৭৪ হাজার ১৬০ মেট্রিক টন। এ সময়ে কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়েও প্রবৃদ্ধি হয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে বন্দরে মোট কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছিল ৩০ লাখ ৯৭ হাজার ২৩৬ টিইইউস, যা ২০২১-২২ অর্থবছরে ৩২ লাখ ৫৫ হাজার ৩৫৮ টিইইউস-এ উন্নীত হয়েছে। এ সময়ে জাহাজ হ্যান্ডলিং ৪ হাজার ৬২টি থেকে ৪ হাজার ২৩১টিতে উন্নীত হয়েছে।

‘চট্টগ্রাম পোর্ট কমিশনার্স অ্যাক্ট’-এর অধীনে ১৮৮৭ সালের ২৫ এপ্রিল চট্টগ্রাম বন্দরের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। ১৯৭৬ সালে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ ১৯৭৬ জারি করা হয়। গত ৫ এপ্রিল জাতীয় সংসদে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বিল-২০২২ নামে নতুন আইন পাস হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মো. ওমর ফারুক দেশ রূপান্তরকে বলেন, কন্টেইনার হ্যান্ডলিং, জাহাজ হ্যান্ডলিংসহ যাবতীয় অপারেশনাল কার্যক্রমে গতিশীলতা অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। ইতিমধ্যে সার্ভিস জেটি, পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনাল, ওভার ফ্লো ইয়ার্ড নির্মাণসহ বেশ কিছু প্রকল্পের সফল সমাপ্তি হয়েছে। ইউরোপের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের সরাসরি জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। মাতারবাড়ি সমুদ্র বন্দর প্রকল্পে বিশাল কর্মযজ্ঞ চলছে। বে-টার্মিনাল প্রকল্পের টেন্ডারের জন্য ডিপিপি (ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপোজাল) তৈরি হচ্ছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত