রপ্তানি সহায়ক তহবিল থেকে ঋণধারী কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নিয়ে রপ্তানিমূল্য দেশে না আনা পর্যন্ত নতুন করে ওই তহবিল থেকে কোনো ঋণ পাবে না। শুধু ওই ব্যক্তি বা কোম্পানি নয়, রপ্তানিকারকের স্বার্থসংশ্লিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও রপ্তানি আয়ের অর্থ দেশে না আসা রপ্তানি সহায়ক প্রাক-অর্থায়ন তহবিল (ইএফপিএফ) বিতরণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে তফসিলি ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দেশের রপ্তানিমুখী শিল্পের বিকাশ ও প্রসারের চলমান ধারা অব্যাহত রাখার নিমিত্তে এক্সপোর্ট ফেসিলিটেশন ফান্ড (ইএফএফ) খাতের জন্য তারল্য পরিস্থিতি সহজতর করতে ইএফপিএফ পরিচালনার জন্য অনুসরণীয় নীতিমালা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই নীতিমালার ৮(ঘ) অনুচ্ছেদে রপ্তানি সহায়ক প্রাক অর্থায়ন তহবিল হতে ঋণ সুবিধা গ্রহণকারী কোনো গ্রাহক উক্ত নির্ধারিত রপ্তানির বিপরীতে রপ্তানিমূল্য অপ্রত্যাবাসিত (ওভারডিউ এক্সপোর্ট বিল) থাকলে সংশ্লিষ্ট রপ্তানিকারক এ তহবিলের আওতায় নতুনভাবে আর কোনো ঋণ সুবিধা প্রাপ্য হবেন না।
সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, বর্ণিত ঋণ সুবিধা গ্রহণের জন্য ইচ্ছুক গ্রাহক প্রতিষ্ঠানের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা একই গ্রুপভুক্ত ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান/কোম্পানির অনুকূলে ইডিএফ থেকে ঋণ সুবিধা গ্রহণের পর ওই রপ্তানিকারককে রপ্তানিমূল্য না আনলেও ইএফএফ বিভাগ হতে জারিকৃত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে গঠিত রপ্তানিসহায়ক প্রাক অর্থায়ন তহবিল হতে ঋণ সুবিধা গ্রহণের সুযোগ নেওয়া হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে রপ্তানি মূল্য দেশে না আনলে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ও একই গ্রুপভুক্ত কোম্পানি ওই তহবিল থেকে কোনো ঋণ সুবিধা না দেওয়ার নির্দেশনা দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
