বাংলাদেশের নবনির্বাচিত ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। গতকাল বুধবার দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে তিনি জাতির পিতার সমাধিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান।
পরে তিনি বঙ্গবন্ধু ও ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তার পরিবারের শহীদ সদস্যদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ, দোয়া ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।
এ সময় রাষ্ট্রপতিকে তিন বাহিনীর পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি সমাধি কমপ্লেক্সে রক্ষিত পরিদর্শন বইতে মন্তব্য লিখে স্বাক্ষর করেন। পরে তার পরিবারের সদস্যরা আলাদাভাবে জাতির পিতার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানান।
এ সময় কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বার মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি, শেখ হেলালউদ্দিন এমপি, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকার উন্নয়ন প্রতিনিধি শহিদ উল্লা খন্দকার, শেখ সালাউদ্দিন জুয়েল এমপি, শেখ সারহান নাসের তন্ময় এমপি, প্রধানমন্ত্রীর এপিএস-০২ গাজী হাফিজুর রহমান লিকু, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মুন্সী আতিয়ার রহমান, জেলা প্রশাসক কাজী মাহবুবুল আলম, পুলিশ সুপার আয়েশা সিদ্দিকা, জেলা আওয়ামী লীগ ও উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে রাষ্ট্রপতি ঢাকা থেকে সড়কপথে পদ্মা সেতু হয়ে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া পৌঁছালে তাকে আওয়ামী লীগ নেতারা ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা স্বাগত জানান।
টুঙ্গিপাড়া যাওয়ার পথে রাষ্ট্রপতি পদ্মা সেতুর মাঝখানে কয়েক মিনিট যাত্রা বিরতি করেন এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ছবি তোলেন। বিকেল ৫টায় রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে ফিরে আসেন।
নতুন রাষ্ট্রপতিকে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের অভিনন্দন : বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. সাহাবুদ্দিনকে অভিনন্দন ও শ্রদ্ধা জানিয়েছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। গতকাল গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র পরিবারের পক্ষে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র ট্রাস্ট সভাপতি অধ্যাপক আলতাফুন্নেসা এক অভিনন্দন বার্তায় বলেন, রাষ্ট্রপতির বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলার দিকে এগিয়ে যাবে এই কামনা করি। আমরা আশা করি তার দূরদর্শী ও সাহসী নেতৃত্বে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। রাষ্ট্রপতির স্বীয় দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের সার্বিক সফলতা এবং একই সঙ্গে তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।
অভিনন্দন বার্তায় রাষ্ট্রপতিকে তার যেকোনো সুবিধাজনক সময়ে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানানো হয়।
